ছবি ভিডিও

বাংলাদেশ শনিবার 20, January 2018 - ৭, মাঘ, ১৪২৪ বাংলা

Software Industry Management

ডিসিদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা

প্রকাশিত ৩১ জুলাই, ২০১৬ ১৫:১২:৪৫

জঙ্গি দমনে সাহসী ভূমিকা রাখুন

জঙ্গি দমনে ডিসিরা সক্রিয় ভূমিকা রাখবেন—এমন প্রত্যাশা সামনে রেখে চার দিনের ডিসি সম্মেলন শেষ হয়েছে। এই সময়ের বড় চ্যালেঞ্জ জঙ্গিবাদ মোকাবিলায় সরকারি প্রশাসনের ভূমিকা অস্বীকারের কোনো উপায় নেই। সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলে সমাজবিরোধী অপরাধীদের মোকাবিলা যেমন সম্ভব, এই ঐক্য কাজে লাগানো গেলে উন্নয়ন কর্মকাণ্ডও ত্বরান্বিত হতে পারে।

সম্মেলনে জঙ্গি-সন্ত্রাস দমনে জেলা প্রশাসকদের ভূমিকার কথা ঘুরেফিরেই এসেছে। এ ব্যাপারে সক্রিয় থাকার আশ্বাস ও অঙ্গীকারও এসেছে। এ প্রতিশ্রুতিতে ভরসা রেখেই বলব, অতীত অভিজ্ঞতা আমাদের সুখকর নয়। সভা-সম্মেলনে কথার ফুলঝুরি ছিটিয়ে, নীতিমালা বানিয়ে শেষ পর্যন্ত কিছুই হয় না। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগেই বেসামাল ছিল। তার সঙ্গে এখন জঙ্গি কর্মকাণ্ডের যোগ হওয়ায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্বও বেড়ে গেছে। ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে বর্ধিত দায়িত্ববোধও তাই এখন অতি প্রত্যাশিত।

তৃণমূল স্তরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কমিটি রয়েছে এবং জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৈঠকও হয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট অনেকের সভায় উপস্থিত থাকার বাধ্যবাধকতা থাকলেও অনেকেই তা মানেন না। স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে জঙ্গিবিরোধী কমিটি হচ্ছে। এসব কমিটি উদ্দেশ্য পূরণে কতখানি সফল হবে, তার সঙ্গেও স্থানীয় প্রশাসনের আন্তরিকতার প্রশ্নটি জড়িত। যাঁরা কমিটি দেখভাল করবেন বা কমিটিতে যাঁরা থাকবেন—আন্তরিকভাবে কাজ করবেন তো?

জঙ্গিবাদ অবশ্যই বড় সমস্যা। তবে তৃণমূলে সমস্যার শেষ নেই। ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ২১টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের নির্দেশনা দিয়েছেন—যার কোনোটাই এড়িয়ে যাওয়ার অবকাশ নেই। নারী-শিশু নির্যাতন এবং পাচার, মাদকের অপব্যবহার, যৌতুক, ইভ টিজিং ও বাল্যবিয়ের মতো সমস্যাগুলো গ্রামগঞ্জে জেঁকে বসেছে। জঙ্গি তত্পরতা রোধে সাধারণ মানুষ যে এখন এক হচ্ছে, গণমানুষের এই ঐক্যকেও আমরা সমাজ গঠনে কাজে লাগাতে পারি। তবে এ জন্য প্রয়োজন বলিষ্ঠ ও সৎ নেতৃত্ব।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে প্রশাসন ও পুলিশ—এই দুই বিভাগের মিলিত চেষ্টা আবশ্যক। তবে আমাদের দেশে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসকদের মধ্যে মেলবন্ধনে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে, যা নিরসন করা আবশ্যক।

জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করলে সামাজিক পরিবর্তনের সূচনা ঘটানো কঠিন হবে না। মানুষের ঐক্যের শক্তির জায়গাটি আমাদের আজ উপলব্ধি করতে হবে। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি আমাদের দায় অসীম; নবীন ও পরবর্তী প্রজন্মের প্রতি আমাদের কর্তব্য অনস্বীকার্য। জেলাপর্যায়ে প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তারা যদি তাঁদের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করেন, বড় পরিবর্তন আসবেই। সর্বস্তরে সচেতনতা তৈরি হলে সার্বিক পরিস্থিতি  উন্নত হতে বাধ্য। জঙ্গি দমনে জেলা প্রশাসকরা সাহসী ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখবেন—আমরা এ প্রত্যাশাই করছি।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

জয় - আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দেবেন

জয় - আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দেবেন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব

আলোচনায় আবারো জিএসপি

আলোচনায় আবারো জিএসপি

আবারো নতুন করে শুরু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধা নিয়ে আলোচনা। জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের

প্রধানমন্ত্রী ফিরছেন আজ, বিপুল সংবর্ধনার প্রস্তুতি

প্রধানমন্ত্রী ফিরছেন আজ, বিপুল সংবর্ধনার প্রস্তুতি

প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও কানাডা সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ দেশে ফিরছেন।


প্রবাসীদের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রবাসীদের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রবাসীদের জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধ অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভার্জিনিয়ায় মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রী আরো

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়ির সামনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জনতার উদ্দেশ্যে হাত তুলে দিক

সিন্ধু চুক্তি বাতিল করতে পারবে না ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

সিন্ধু চুক্তি বাতিল করতে পারবে না ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

১৯৬০ সালে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত হওয়া সিন্ধু চুক্তির উপর পাকিস্তানের চাষাবাদ অনেকখানি নির্ভরশীল। কাশ্মীরের উরিতে


পাক-ভারত উত্তেজনা

ভারতের ১৮টি বিমান ঘাঁটিতে চলছে যুদ্ধের প্রস্তুতি

ভারতের ১৮টি বিমান ঘাঁটিতে চলছে যুদ্ধের প্রস্তুতি

উরি সেনাঘাঁটিতে হামলার পর, কূটনৈতিক স্তর বা সীমান্তে ভারত-পাক সম্পর্ক এখন যথেষ্ট অস্থির। এরমধ্যেই ভারতের

১৬ অক্টোবর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন হাসিনা-মোদি

১৬ অক্টোবর গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন হাসিনা-মোদি

 প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিবেশি দেশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতে আগামী মাসেই ভারত যাচ্ছেন।

দিনরাত কেন তাকে পাহারা দেয় বন্দুকধারী রক্ষীরা?

দিনরাত কেন তাকে পাহারা দেয় বন্দুকধারী রক্ষীরা?

প্রায় রাজকীয় সুরক্ষা। দেশের প্রধানমন্ত্রীর মতো দিনরাত সুরক্ষা বলয়ে ঘেরা থাকে সুদান। হিটলিস্টে তার নাম





ব্রেকিং নিউজ












খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

০৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:৫৪