ছবি ভিডিও

বাংলাদেশ সোমবার 23, April 2018 - ৯, বৈশাখ, ১৪২৫ বাংলা

Software Industry Management

পুলিশ দেখে বড় ভয়? ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী  

প্রকাশিত ০৭ অগাস্ট, ২০১৬ ১২:১৯:৪৩


টাইম টিউন24.কম:আমাদের ছেলেমেয়েদের শৈশবে আমরা শেখাতাম, রাস্তাঘাটে যদি কোনো বিপদ দেখো, তবে দৌড়ে পুলিশের কাছে গিয়ে আশ্রয় নেবে। এখনো কখনো কখনো দেখি, পুলিশের কোনো কোনো সদস্য শিশু কিংবা প্রবীণ কোনো মানুষকে হাত ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছেন। দেখলে বেশ ভালো লাগে। এটাই তো স্বাভাবিক ঘটনা হওয়ার কথা; কিন্তু না, এটা এখন ব্যতিক্রমী ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এখন যা স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে, তা হলো পুলিশের হাতে মানুষের অবিরাম নাজেহাল হওয়া। মানুষ পারতপক্ষে এখন আর পুলিশের ধারেকাছেও ঘেঁষতে চান না। পুলিশের কাছে যাওয়ার ভয়ে তারা বহু অপরাধ নীরবে হজম করে নেন। কারণ, তারা বুঝে গেছেন, তাতে বিপদ বাড়বে বৈ কমবে না। ফলে সমাজে অপরাধ সর্বগ্রাসী রূপ নিয়েছে। আর পুলিশ নিজেই নানা অপরাধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ছে।

রাস্তাঘাটে যে দৃশ্য হামেশাই চোখে পড়ে, তা হলো পণ্য পরিবহনকারী যানবাহন আটকানো। হাফ-টনি, দেড়-টনি বা পাঁচ-টনি ট্রাক তো আছেই, সেই সাথে আছে ভ্যানগাড়িও। কারোরই রেহাই নেই পুলিশের হাত থেকে। পথে চলতে হলে পুলিশের জন্য একটা বরাদ্দ তাদের রাখতেই হবে। ট্রাকচালকেরা সম্ভবত ধরেই নিয়েছেন যে, এটা তাদের দিতেই হবে। এসব যানবাহনে পণ্য যারা আনেন, তারাও জানেন, পুলিশকে তার ‘পাওনা’ মিটিয়ে দিয়েই তাদের পণ্য আনা-নেয়া করতে হবে; কিন্তু খুব অসহায় অবস্থায় দেখি ভ্যানচালকদের। হয়তো কেউ বাসা বদল করছেন। ভ্যানে করে নিচ্ছেন লেপ-তোশক, কাঁথা-বালিশ, তৈজসপত্র, হাঁড়িকুড়ি; কিন্তু মাঝপথে আটকে দিলো পুলিশ। ভ্যানটিকে আটকে রাখল রাস্তার পাশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। কিংবা কোনো ভ্যানচালক নিয়ে যাচ্ছেন কোনো মুদি দোকানের পণ্য। তাকেও আটকে দেয়া হলো পথে। অসহায় ভ্যানচালক লক্ষ্যহীন ফুটপাথে বসে বিড়ি ফোঁকে। সে জানেও না, তাকে কী করতে হবে। আর যদি পুলিশ কিছু দাবিও করে তার কাছ থেকে, তাহলে সে দেবে কোথা থেকে। ক’টাকাই বা তার আয় গতর খাটিয়ে! তারপর কী হয়, জানি না। কারণ এই নাটকের শেষ দৃশ্য দেখার জন্য এতক্ষণ রাস্তায় অপেক্ষা করা সম্ভব হয় না।
পুলিশের আরেক কাণ্ড দেখি রাতের বেলায়। তখন অভিযান চলে প্রধানত রিকশা আর সিএনজির ওপর। সিএনজির ওপর অভিযানে কখনো টার্গেট সিএনজি চালক, কখনো বা তার যাত্রীরা। কাগজপত্র ঠিকঠাক থাকলেও একটু দূরে গিয়ে পুলিশের হাতে কিছু গুঁজে দিতে হয়। কোনো সিএনজি চালক আবার নির্দিষ্ট পথে যেতেও চান না। গালি দিয়ে বলেন, ওখানে যে সার্জেন্ট আছেন, তাকে কিছু না দিয়ে পার হওয়া যায় না। এত ঝুটঝামেলা ভালো লাগে না। সিএনজি বা রিকশার যাত্রীরা যদি তরুণ-তরুণী হন, তাহলে তো কথাই নেই। তাদের সম্পর্ক কী, এত রাতে কোথায় গিয়েছিলেন, কোথায় যাবেন। ভাই-বোন বললে বিশ্বাস করতে চায় না। স্বামী-স্ত্রী বললে প্রমাণ চায়। তারপর রাস্তার পাশে আটকে রাখে। সবাইকে কি এ রকম প্রমাণপত্র নিয়ে রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে হবে?
ওপরের ঘটনাগুলোকে আমরা যদি ছোটখাটো ঘটনা বলি, বলতেও পারি; কিন্তু এর চেয়ে বড় ঘটনাও অবিরাম ঘটে চলেছে। অজ্ঞাত আসামি ধরার নামে মধ্যরাতে গ্রাম ঘেরাও করে ধরে আনা হচ্ছে ডজন ডজন লোককে। থানায় এনে আত্মীয়স্বজনকে খবর দিয়ে আদায় করা হচ্ছে মুক্তিপণ, যা সাধারণত ডাকাতেরা বা দাগি অপরাধীরা করে থাকে। আবার কাউকে আটক করে এনে স্রেফ অস্বীকার করছে পুলিশ। রাতে থানা ভরে ফেলছে আসামি দিয়ে। সকালে ফাঁকা। এভাবে পুলিশি নির্যাতনে ফতুর হয়ে যাচ্ছে বহু পরিবার। পুলিশ ক্রসফায়ারের ভয় দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায় করেছে, এমন উদাহরণ আছে ভূরি ভূরি। পুলিশপ্রধানও স্বীকার করেছেন, সব পুলিশই সাধু নয়। দু-চারজন খারাপ পুলিশের জন্য পুলিশবাহিনীর দুর্নাম হচ্ছে; কিন্তু পুলিশবাহিনীর এসব সদস্যের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ঘটনাও বিরল। একটা শাস্তির কথা আমরা হামেশাই শুনি। আর তা হলো ‘তাকে ক্লোজড করা হয়েছে।’ এটা কোনো শাস্তিই নয়। ক’দিন বসিয়ে রেখে তাকে অন্য কোথায়ও পোস্টিং দেয়া হয়। ফলে পুলিশ দেখে ভয় বেড়েছে।
এর মধ্যে পুলিশ থেকে নতুন ভয়ের খবর দিয়েছে এক সহযোগী। সহযোগীর রিপোর্টে বলা হয়েছে, গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের তথ্য সরাসরি পেতে চায় র‌্যাব-পুলিশ। বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ অনুসন্ধান ও তদন্তের স্বার্থে তারা এসব তথ্য পেতে চায়। এ জন্য তারা আইন মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠিও পাঠিয়েছে। তাদের যুক্তি হলো, এতে তদন্তকাজে গতি আসবে। বর্তমানে এসব তথ্য সরাসরি না পাওয়ায় তাদের তদন্তকাজ বিঘিœত হচ্ছে বলে তারা মনে করে। তবে ব্যাংকাররা এসব তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে সরাসরি দেয়ার বিরোধিতা করেছেন। তারা বলেছেন, ব্যাংকে থাকা গ্রাহকদের তথ্য গোপনীয়তার সাথে রাখার বিধান রয়েছে। এসব তথ্য যখন তখন সবাইকে দেয়া হলে গ্রাহকেরা ব্যাংকবিমুখ হয়ে পড়তে পারেন। ব্যাংক ব্যবসায় নামতে পারে ধস। তবে প্রচলিত আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংক যেকোনো সময় যেকোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে চাইতে পারে। আদালতের অনুমতি নিয়ে পুলিশ, র‌্যাব বা অন্য কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ব্যাংকগ্রাহকদের তথ্য নিতে পারে। দুদক পারে। এনবিআর পারে। তারপরও র‌্যাব-পুলিশের কেন ব্যাংক গ্রাহকের টাকার খবর দরকার, বোঝা দায়।
এমনিতেই এখন ব্যাংকের নিয়মকানুনে অনেক কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। কাউকে পঞ্চাশ হাজার টাকার চেক দিলেও ব্যাংক থেকে ফোন করে নানা প্রশ্ন করা হয়। এক লাখ টাকা ওঠাতে চাইলে আগে থেকে নোটিশ দিতে হয়। তা ছাড়া কারো অ্যাকাউন্টে ব্যাংকের দৃষ্টিতে অস্বাভাবিক কিছু চোখে পড়লে তারা তা সাথে সাথে বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করে। তারপরও গ্রাহকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিস্তারিত তথ্য কেন চায় র‌্যাব-পুলিশ? এখানে গ্রাহকের ভয় হলো, র‌্যাব-পুলিশ যদি দেখতে পায় যে, কারো অ্যাকাউন্টে ২০ লাখ টাকা আছে, তবে ওই ব্যক্তিকে জিম্মি করে তারা টাকাটা হাতিয়ে নেয়ার চেষ্টা করবে না তো? আমরা ঘরপোড়া গরু, সিঁদুরে মেঘ দেখলে ভয় তো পাবোই।
এখানে দু’টি ঘটনার উল্লেখ করতে চাই। গত ৩ আগস্ট নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে পুলিশের ধাওয়ায় একজন ব্যবসায়ী পানিতে ডুবে প্রাণ হারান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর পিটুনিতে এক পুলিশ কনস্টেবল নিহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীরা জানিয়েছেন, নিহত আবদুল মতিন সোনারগাঁও পৌরসভার আদমপুর বাজারে পান-সুপারির দোকানদার। ওই দিন তিনি বাড়ির সামনে সড়কের পাশে খড়ের গাদা তৈরি করছিলেন। এ সময় সোনারগাঁও থানার এএসআই ফখরুল ইসলাম ও কনস্টেবল আরিফুল ইসলাম সাদা পোশাকে মোটরসাইকেলে করে ওই সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা ওই ব্যবসায়ীকে মাদক বিক্রেতা আখ্যা দিয়ে আটক করার চেষ্টা করেন। এ সময় ব্যবসায়ী আবদুল মতিন পাশের খাদের পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়েন। সাথে সাথে পুলিশ কনস্টেবল আরিফও পানিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মতিনকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন। একপর্যায়ে দু’জনের ধস্তাধস্তিতে ব্যবসায়ী মতিন পানিতে তলিয়ে গিয়ে মারা যান।
এ ঘটনা দেখে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে পুলিশ কনস্টেবল আরিফকে আটক করে। পরে এলাকার কয়েকজন মানুষ একত্র হয়ে তাকে পিটুনি দিলে তিনি মারা যান। এর আগে সুযোগ বুঝে এএসআই ফখরুল সরে পড়েন। মতিনের স্ত্রী নূরতাজ বলেন, সাদা পোশাকের দুই পুলিশ ঘুষ আদায়ের জন্য প্রথমে তার স্বামীকে আটকের চেষ্টা করে। চাহিদা মতো টাকা না পেয়ে ওরা দু’জন তাকে পানিতে ডুবিয়ে হত্যা করে। পরে এএসআই ফখরুল ইসলাম বলেছেন, একটি মামলার তদন্ত করে তারা থানায় ফিরছিলেন। পথে পুলিশ দেখে আবদুল মতিন দৌড়ে পালাতে চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে আবদুল মতিন সড়কের পাশে খাদের পানিতে পড়ে যান। তাকে আটক করার চেষ্টাকালে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়। তবে তিনি স্বীকার করেন, ব্যবসায়ী মতিনের বিরুদ্ধে থানায় কোনো অভিযোগ বা মামলা নেই।
পরের ঘটনাটি ঘটেছে চট্টগ্রামে বুধবার রাতে। নগরীর হালিশহরে গমবোঝাই একটি ট্রাকের চালক সঙ্কেত দেয়ার পরও ট্রাকটি না থামিয়ে দায়িত্বরত ট্রাফিক কনস্টেবলকে চাপা দিয়ে চলে গেছে। এতে কনস্টেবল আর জি যোজন অখণ্ড নিহত হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, হালিশহর সিএসডি গুদাম থেকে সরকারি গম নিয়ে ট্রাকটি দেওয়ানহাট গুদামে যাচ্ছিল। ট্রাকটি সরকারি গম নিয়ে সরকারি গুদাম থেকে সরকারি গুদামে যাচ্ছিল। পুলিশের বক্তব্য হলো, যে পথ দিয়ে ট্রাকটি যাচ্ছিল, সে পথে ট্রাক চলাচল নিষিদ্ধ। তাই ট্রাকচালককে ট্রাক থামানোর সঙ্কেত দেয়া হয়েছিল। চালক ইচ্ছাকৃতভাবে অখণ্ডকে চাপা দিয়েছে নাকি দুর্ঘটনা, সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 
এখানে উল্লিখিত সব ঘটনাই অস্বাভাবিক ও অগ্রহণযোগ্য। আমরা এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি দেখতে চাই না; কিন্তু অবিরাম এমন ঘটনা ঘটছে বলেই সাধারণ নাগরিকেরা কেবলই ভয় পাই। ভয়ে ভয়ে থাকি। কবে যে এই ভয় দূর হবে, কেউ বলতে পারে না।

লেখক : সাংবাদিক ও সাহিত্যিক


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

কলেজছাত্রী খাদিজার ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের দ্রুত ও সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সিলেটবাসী। এই

'স্বল্প সময়ের মধ্যেই জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে'

'স্বল্প সময়ের মধ্যেই জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে'

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু হলেও ধর্মান্ধ নয়। এ দেশের মানুষ কখনোই জঙ্গিবাদকে সমর্থন দেয়নি। দেশের মানুষের

মিতু হত্যা: মুসাকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার

মিতু হত্যা: মুসাকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার

প্রাক্তন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি


দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রকাশক,সম্পাদক,বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা,মামলা প্রতাহারের  দাবি 

দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রকাশক,সম্পাদক,বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা,মামলা প্রতাহারের  দাবি 

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রকাশক,সম্পাদক,বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা,মামলা প্রতাহার দাবিতে নড়াইল জেলা

হবিগঞ্জী বাসের চাপায় এক যুবকের মৃত্যু

হবিগঞ্জী বাসের চাপায় এক যুবকের মৃত্যু

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে হবিগঞ্জ বিরতিহীন বাসের চাপায় পড়ে নান্টু চন্দ্র শীল (৩৯) নামে এক যুবকের

বগুড়ায় দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭

বগুড়ায় দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭

ধবগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচ নারী নিহত


খাদিজার হামলাকারি বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে

খাদিজার হামলাকারি বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে

সলেট প্রতিনিধি: আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সিলেটে কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে হত্যাচেষ্টাকারী বদরুল আলম

নড়াইলে যুদ্ধাপরাধী  দেলোয়ার হোসেনের ফাঁসির দাবীত - সমাবেশ ও মানববন্ধন

নড়াইলে যুদ্ধাপরাধী  দেলোয়ার হোসেনের ফাঁসির দাবীত - সমাবেশ ও মানববন্ধন

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি  ইকবাল মৃধা হত্যা মামলার আসামী, যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকার দেলোয়ার হোসেন

হাসপাতাল থেকে থানায় নেয়া হয়েছে বদরুলকে,উত্তপ্ত সিলেট

হাসপাতাল থেকে থানায় নেয়া হয়েছে বদরুলকে,উত্তপ্ত সিলেট

সিলেটের কলেজ ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসের উপর হামলাকারী বদরুলকে চিকিৎসা শেষে শাহ পরান থানায় নেয়া





ব্রেকিং নিউজ












খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

০৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:৫৪