ছবি ভিডিও

বাংলাদেশ বুধবার 14, November 2018 - ৩০, কার্তিক, ১৪২৫ বাংলা

Software Industry Management

কালের পুরাণ

ছয় দশক ধরে রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু

প্রকাশিত ১৪ অগাস্ট, ২০১৬ ১৯:৫১:১৫

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানগতকালের পর
জ্যাক এন্ডারসন পেপারস সাক্ষ্য দেয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মুক্তির ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিল। হয়তো সেই চাপের কারণেই পাকিস্তানি শাসকেরা একাত্তরে তাঁকে হত্যা করতে সাহস পাননি। কিন্তু মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁরা তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করতে নানা তৎপরতা চালাতে থাকেন।
৮ জানুয়ারি ১৯৭২ পাকিস্তানি কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১০ জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনের
দায়িত্ব নেন। কিন্তু স্বাধীনতার সাড়ে তিন বছরের মাথায় পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট একদল বিপথগামী সেনা সপরিবারে তাঁকে হত্যা
করে। এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে পাকিস্তানের মদদ ছিল, ঘাতকেরা পাকিস্তানি ভাবাদর্শকেই পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল; যদিও তাদের সেই প্রয়াস সফল হয়নি; কথিত সেনা অভ্যুত্থানের ৮১ দিনের মাথায় তাদের ক্ষমতা ও দেশ ছাড়তে হয়।
১৫ আগস্টের ঘৃণ্য হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়েই কি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সঙ্গে শেখ মুজিবের সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে গেছে? অবশ্যই নয়। ঘাতকেরাও জানত, বাংলাদেশের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য। এ কারণে মৃত্যুর পরও তারা সংঘবদ্ধ হয়ে শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে অপবাদ ও অপপ্রচার চালিয়েছে। একসময় রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র দূরে থাক, বেসরকারি গণমাধ্যমেও বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়া যেত না। সময়ের ব্যবধানে নিষেধাজ্ঞার সেই দেয়াল পেরিয়ে তিনি আজ বাংলাদেশের মানুষের চিন্তা ও মননের প্রতীক হয়েছেন। সেদিন যারা তাঁকে নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিল, তারাই ইতিহাসের পাতায় নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।
বাংলাদেশের অভ্যুদয় যদি আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন হয়, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড সবচেয়ে বড় বিয়োগান্ত ঘটনা। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট কেবল শেখ মুজিবের দেহকেই বুলেটবিদ্ধ করা হয়নি, আঘাত করা হয়েছিল রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতির ওপর। জাতীয়তাবাদকে বিকৃত করা হয়েছিল। সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা পরিত্যাজ্য ঘোষিত হয়েছিল। আজ অনুকূল পরিবেশে অনেকে বঙ্গবন্ধুর নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছেন, তাঁকে ইতিহাসের মহানায়ক হিসেবে অভিহিত করছেন; কিন্তু পঁচাত্তর-পরবর্তী সেই প্রতিকূল সময়ে কতজন তাঁর কাজের বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়ন করেছেন? কতজনই বা অনুধাবন করেছেন তাঁর মৃত্যু-পরবর্তী অভিঘাত?

২.
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু শেখ মুজিবুর রহমান। জীবদ্দশায় তো বটেই, মৃত্যুর পরও তাঁকে ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে আমাদের রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় নীতি। তাঁর মতো আর কোনো নেতা বাঙালির আবেগ ও স্পর্ধা, আশা ও আকাঙ্ক্ষাকে এমনভাবে ধারণ করতে পারেননি। মার্কিন সমাজতত্ত্ববিদ জন পি থর্প যেমনটি বলেছেন, ‘শেখ মুজিব মানুষকে ভাবাদর্শের সন্ধান দিয়েছেন। শেখ মুজিব নিজের ও তাঁর শ্রোতামণ্ডলীর রাজনৈতিক মূল্যবোধ ও লক্ষ্যের উত্তরণ ঘটাতে ঘটাতে পরিশেষে পাকিস্তান সেনাদের গর্জে ওঠা বন্দুকের নলের সামনে দাঁড়ানোর দৃঢ়তা ও সাহসে উজ্জীবিত করার জন্য জনগোষ্ঠীর প্রতীকী ঐতিহ্যের ওপর নির্ভর করেছিলেন।’
সমসাময়িক রাজনীতিকেরা যেখানে বারবার নীতি পরিবর্তন করেছেন, তাত্ত্বিক বিতর্কে দলকে দ্বিখণ্ডিত করেছেন, সে সময় শেখ মুজিব তাঁর নীতিতে অবিচল থেকেছেন। বাঙালির মুক্তির জন্য তিনি নিয়মতান্ত্রিক ও ‘নিয়মবহির্ভূত’ দুই পথই বেছে নিয়েছেন। চিন্তা করুন, একটি রাজনৈতিক দলের প্রধান নেতা ও সাবেক প্রাদেশিক মন্ত্রী হয়েও ১৯৬২ সালে শেখ মুজিব আগরতলা গিয়েছিলেন পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে ভারতের সহায়তার জন্য। ধরা পড়লে মৃত্যু অবধারিত। সেবারে তাঁর সেই উদ্যোগ সফল না হলেও পরবর্তীকালে কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেনের নেতৃত্বে যেসব বাঙালি সামরিক-বেসামরিক কর্মকর্তা বিচ্ছিন্নতাবাদী তৎপরতা শুরু করেছিলেন, তাঁরাও ভরসা করেছিলেন শেখ মুজিবের ওপর। করাচি ও ঢাকায় তাঁর সঙ্গে একাধিক বৈঠকও করেছেন তাঁরা। এই সময়ে আরও একটি ঘটনা ঘটে। ইত্তেফাক সম্পাদক তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার মধ্যস্থতায় শেখ মুজিবের সঙ্গে আত্মগোপনকারী কমিউনিস্ট নেতা মণি সিংহ-অনিল মুখার্জিদের যে বৈঠক হয়েছিল, তাতেও তিনি স্বাধীনতার কথাই উচ্চারণ করেছিলেন। কমিউনিস্ট নেতারা বলেছিলেন, এখনো সময় আসেনি। জনগণকে প্রস্তুত করেই স্বাধীনতার কথা বলতে হবে। জবাবে মুজিব বলেছিলেন, ‘দাদা, আপনাদের কথা মানলাম। কিন্তু একমত হলাম না।’ অর্থাৎ শেখ মুজিব তখনই পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। এ ছাড়া ষাটের দশকে দেশের বিভিন্ন স্থানে যেসব ছোট ছোট গ্রুপ সশস্ত্র পথে স্বাধীনতা লাভের কথা ভেবেছিল, তারাও শেখ মুজিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তিনি সবাইকে উৎসাহিত করেছেন। একই সঙ্গে সাবধান করে দিয়েছেন, যাতে বিপদে না পড়ে।

৩.
ছাত্রজীবন বাদ দিলে শেখ মুজিবুর রহমানের জাতীয় রাজনীতিতে প্রবেশ সাতচল্লিশে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার অব্যবহিত পরে। কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণিতে ভর্তি হলেও ছাত্ররাজনীতিতে যোগ দেননি। তখন তাঁর চিন্তা জাতীয় রাজনীতি নিয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের আন্দোলনকে সমর্থন করতে গিয়ে তিনি সরকারের রোষানলে পড়েন। তাঁকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করা হয়। সে সময় অনেকে মুচলেকা দিয়ে ছাত্রত্ব ফিরিয়ে নিলেও মুজিব রাজি হননি। হয়ে গেলেন সার্বক্ষণিক রাজনীতিক।
দেশ বিভাগের আগেই মুসলিম লীগের দুটি ধারা ছিল। খাজা নাজিমুদ্দিন-আকরম খাঁর ধারাটি ছিল রক্ষণশীল এবং নবাব-জোতদারদের স্বার্থের রক্ষক। সোহরাওয়ার্দী-আবুল হাশিমের ধারাটি ছিল উদার ও গণমানুষের কাতারে। ঢাকায় এসে মুজিব দেখলেন, সবকিছু নাজিমউদ্দিন-আকরম খাঁ চক্র দখল করে আছে। তিনি বিভিন্ন স্থানে গিয়ে সোহরাওয়ার্দীর অনুসারীদের সংগঠিত করতে থাকেন। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে যখন সরকারবিরোধী নেতা-কর্মীদের নিয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়, তখন মুজিব জেলে। মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীকে এর সভাপতি ও শামসুল হককে সাধারণ সম্পাদক করা হয়। কারাবন্দী মুজিব হন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এর আগে ১৯৪৮ সালের মার্চে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন করতে গিয়েও তিনি গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। পাকিস্তান আমলের প্রায় অর্ধেক সময়ই তিনি জেলে কাটিয়েছেন। শামসুল হক আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রথম সাধারণ সম্পাদক হলেও বছর দুয়েকের মধ্যে তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর শেখ মুজিব প্রথমে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৩ সালের সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক হন। ১৯৫৩ সালে মুজিব আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক হন এবং ১৯৫৫ সালে দল থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেওয়া হলে এটি হয়ে ওঠে ধর্মনিরপেক্ষ দল। শেখ মুজিব যখন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, তখন দলের সবকিছু তাঁর নিয়ন্ত্রণে। আবার যখন সভাপতি হন, তখন তাঁর ব্যক্তিত্বের কাছে সাধারণ সম্পাদকের ভূমিকা গৌণ হয়ে যায়। ১৯৬৬ সালে ছয় দফা ঘোষণার পর মুজিবই হয়ে ওঠেন পাকিস্তানিদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। এরপর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা ও উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান তাঁকে পরিণত করে জননায়কে।

৪.
৪১ বছর আগে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু জীবিত অবস্থায় তিনি যেমন দেশের রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছেন, মৃত্যুর পরও রাজনৈতিক অঙ্গনে তিনি সমভাবে উপস্থিত রয়েছেন। যাঁরা তাঁর অনুসারী কিংবা বিরোধী, সবার বক্তৃতা-বিবৃতি–আচরণে তাঁর প্রভাব ও ছায়া স্পষ্ট।
ব্রিটিশ শাসনের আগে ভারতবর্ষ এক দেশ ছিল না। একই ভাষাভাষী মানুষকে নিয়ে একেকটি রাজ্য বা অঞ্চল গড়ে উঠেছিল, যা অনেকের কাছে ছিল ‘দেশ’। শেখ মুজিবের কৃতিত্ব হলো এই উপমহাদেশে ভাষাভিত্তিক একটি রাষ্ট্র গঠন। এই ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র যেমন ধর্মকে অস্বীকার করেনি, আবার ধর্মকে আশ্রয়ও করেনি। ভবিষ্যতে যদি ভারতবর্ষের মানচিত্র বদলে না যায়, তিনিই হবেন মানচিত্র বদলের সর্বশেষ নেতা। যে দুঃখী মানুষের জন্য মুজিব রাজনীতি করতেন, সেই দুঃখী মানুষের মনের ভাষাটি তিনি পড়তে পেরেছিলেন। তাদের আবেগ-অনুভূতিকে নিয়ে গিয়েছিলেন উচ্চগ্রামে।
বাংলাদেশের বয়স ৪৫ বছর। এর মধ্যে শেখ মুজিব দেশ শাসনের সময় পেয়েছেন মাত্র সাড়ে তিন বছর। এই সময়ে বঙ্গবন্ধু যে রাষ্ট্রীয় কাঠামো গড়ে তুলেছিলেন, সেই কাঠামোমতোই সবকিছু চলছে। তিনি গরিব কৃষকের খাজনা মাফ করে দিয়েছিলেন। এখনো ২৫ বিঘা পর্যন্ত যাঁদের জমি আছে, তাঁদের খাজনা দিতে হয় না। তিনি যে শিক্ষানীতি করেছিলেন, সেই শিক্ষানীতির চেয়ে উন্নততর কোনো শিক্ষানীতি কোনো সরকার দিতে পারেনি। তিনি যে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি ঘোষণা করেছিলেন, সেটি এখনো উত্তম বলে বিবেচিত। তিনি যে পরিকল্পনা কমিশন করেছিলেন, সেটাই অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। পঁচাত্তরের আগে ও পরে যাঁরা শেখ মুজিবকে ভারতের দালাল বলে গালমন্দ করেছিলেন, এখন তাঁরাই দেশের স্বার্থ রক্ষায় তাঁর দোহাই দিচ্ছেন। এখানেই শেখ মুজিবের মহত্ত্ব।

৫.
স্বাধীনতা-পরবর্তী এক অস্থির, অনিশ্চিত সময়ে শেখ মুজিবের জন্য দেশ পরিচালনা মোটেই সহজ ছিল না। মুক্তিযোদ্ধারা নানা উপদলে বিভক্ত, কেউ কারও কথা শুনতে চাননি। অর্থনীতি বিধ্বস্ত, রাজনীতি দিগ্ভ্রান্ত, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও বাংলাদেশ প্রচণ্ড বৈরিতার মুখোমুখি। ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে থাকলেও বিরোধিতা করেছে চীন, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বহু দেশ। সেই প্রবল বিরোধিতাকে উপেক্ষা করে দেশের স্বাধীন সত্তা টিকিয়ে রাখার যে দুরূহ ও দুঃসাধ্য কাজটি তিনি করেছিলেন, অন্য কোনো নেতার পক্ষে তা সম্ভব ছিল কি না সন্দেহ।
বিএনপির নেতা মওদুদ আহমদ তাঁর বাংলাদেশ: এরা অব শেখ মুজিবুর রহমান বইয়ে বঙ্গবন্ধুর শাসনামলের অনেক সমালোচনা করেছেন। কিন্তু তিনি শেষ পরিচ্ছদটি শেষ করেছেন যে মন্তব্য দিয়ে, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি লিখেছেন, ‘কারাবন্দী অবস্থায় পাকিস্তানি সামরিক জান্তার হাতে নিহত হলে শেখ মুজিব বাঙালি জনমানসে অমর হয়ে থাকতেন এবং বাঙালি হৃদয়ে তাঁর মূর্তি থেকে যেত অবিনশ্বর। তিনি বিবেচিত হতেন ইতিহাসের মহত্তম শহীদ হিসেবে। তবে সে ক্ষেত্রে বোধ হয় বাংলাদেশের জনগণের দুঃখ-দুর্দশা আরও সকরুণ হতো। হয়তো বাংলাদেশে অনেকগুলো সরকার একসঙ্গে বিরাজ করত, ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত সরকারের ঘন ঘন পরিবর্তন হতো।...কিন্তু মুজিবের প্রত্যাবর্তন এবং তাঁর পরবর্তী ভূমিকা সম্ভাব্য এই ধ্বংসের হাত থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করেছে।’ (শেখ মুজিবের শাসনকাল, মওদুদ আহমদ, ইউপিএল ১৯৮৩)


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

কলেজছাত্রী খাদিজার ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের দ্রুত ও সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সিলেটবাসী। এই

হাসপাতাল থেকে থানায় নেয়া হয়েছে বদরুলকে,উত্তপ্ত সিলেট

হাসপাতাল থেকে থানায় নেয়া হয়েছে বদরুলকে,উত্তপ্ত সিলেট

সিলেটের কলেজ ছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসের উপর হামলাকারী বদরুলকে চিকিৎসা শেষে শাহ পরান থানায় নেয়া

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম। অস্ত্রোপচার শেষে গতকাল বিকেলে তাঁকে ৭২ ঘণ্টার নিবিড়


খাদিজার জীবন–সংকটে

খাদিজার জীবন–সংকটে

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম। অস্ত্রোপচার শেষে গতকাল বিকেলে তাঁকে ৭২ ঘণ্টার নিবিড়

র‍্যাবের অভিযানে ভারতে পালানোর সময় শিশু হত্যাকারী ঘাতক পিতা গ্রেফতার

র‍্যাবের অভিযানে ভারতে পালানোর সময় শিশু হত্যাকারী ঘাতক পিতা গ্রেফতার

সিলেট জেলা প্রতিনিধি :: আজ মঙ্গলবার সকালে গোপন  সংবাদের বিত্তিত্বে, এএসপি মোহাম্মদ জিয়াউল হক নেতৃত্ব

শিক্ষামন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করেছে গার্হস্থ্য অর্থনীতির শিক্ষার্থীরা

শিক্ষামন্ত্রীকে অবরুদ্ধ করেছে গার্হস্থ্য অর্থনীতির শিক্ষার্থীরা

গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর জাতীয় শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (ব্যানবেইস)


ছাত্রীকে আক্রমণকারী ছাত্রলীগ নেতার বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছাত্রীকে আক্রমণকারী ছাত্রলীগ নেতার বিচার হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 সিলেট মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা বেগমকে ছুরিকাঘাতের ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা কোনোভাবেই পার পাবে না

ছাত্রলীগ নেতার হামলায় আহত ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

ছাত্রলীগ নেতার হামলায় আহত ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক

সিলেটে ছাত্রলীগ নেতার হামলার শিকার ছাত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। গতকাল সোমবার বিকেলে সিলেট সরকারি মহিলা কলেজের

ছাত্রলীগ নেতার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল এমসি কলেজ

ছাত্রলীগ নেতার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভে উত্তাল এমসি কলেজ

খাদিজাকে ছুরিকাঘাতের সময় জনতার হাতে আটক বদরুল : ফাইল ছবি কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিসের ওপর



আরো সংবাদ








জঙ্গিবাদের তাত্ত্বিকগণ

জঙ্গিবাদের তাত্ত্বিকগণ

১১ অগাস্ট, ২০১৬ ১৭:২২

ডিজিটা হয়ে যাচ্ছে শিশুরা

ডিজিটা হয়ে যাচ্ছে শিশুরা

০৮ অগাস্ট, ২০১৬ ১০:৩৯

প্রাণের ঋতু বর্ষা

প্রাণের ঋতু বর্ষা

২২ জুলাই, ২০১৬ ১৭:৩১




ব্রেকিং নিউজ












খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

০৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:৫৪