বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার 23, May 2019 - ৯, জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বাংলা - হিজরী

দহনের ঘ্রাণ

নাওয়াজ মারজান | প্রকাশিত ৩১ অগাস্ট, ২০১৬ ২১:০৬:২৮

(এক) কফিনের শহরে

ভেতর ছিঁড়ে ভায়োলিন সুর হ্রাস করে দেয় শরীরের সকল বলয়। গোধূলির সূর্যস্নান শেষে পোড়া মোরগের মাংস খেতে খেতে আমরা গেয়ে চলি মৃত্যুর তারানা। তন্দ্রায় কেটে যায় নেশাগ্রস্ত সময়। চাঁদের শেষ সীমানায় জেগে থাকা অন্ধবায়ু সভ্যতার পথে প্রবেশ করে ঘুমের ঘরে। কফিনের শহরে ছড়িয়ে পড়ে মৃত লাশের গন্ধ। বাসযোগ্য পুনর্বাসন কেন্দ্রের খুঁজে ন্যাইল আর্মস্ট্রংয়ের পথে মানুষ ছুটে অন্যগ্রহে।

 

(দুই) পাঁচপাতা ফুল

বালিশের নিচে পাঁচপাতা ফুল। বালিশের উপর সুঁতোর দাগে ফ্রিদা কিংবা ডরিস হকিনসের মতো কেউ একজন এঁকে গেছে জীবনের ক্যানভাস। বালিশে মাথা রেখে ক্যানভাসের দাগে দাগে কত যুগ ধরে হাঁটছি! মনে পড়ে না। এখন আর রাতদিন বলে কিছু নেই; শুধু আলো-আঁধার খেলা। ঘুমভাঙার পর শুধুই বেঁচে থাকার লড়াই। আহা বেঁচে থাকা! আমাদের বেঁচে থাকা। শত বছর ধরে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে রাতদিন বিষ খেয়ে যাচ্ছি।

 

(তিন) অসময় সময়

কোনো গান গাইবো না, কোনো গান না। শ্যাওলাধরা স্যাঁতস্যাঁতে পথে হাটতে হাটেতে কাগজের টুকরো থেকে কবিতার শব্দগুলো ছিড়ে আকাশে পাখির সাথে উড়িয়ে দেবো, ভাসিয়ে দেবো। বঙ্কিম নদী থেমে যায় যাক। কাগজের নৌকার সাথে ঢেউয়ের ভিতরে ভাসিয়ে দেবো আমাদের হররঙা সময়গুলো। ঢেউয়ের ভাজে ভাজে মাছের সাথে খেলা করে পুরাতন গাছের পাতা।

 

 


footer logo

 ঢাকা অফিস
GA-99/3  Pragati sharani
Gulshan Dhaka 1212
ই-মেইল:- info@bdnationalnews.com

.