বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার 23, May 2019 - ৯, জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বাংলা - হিজরী

দুধপান মানেই গরুর প্রতি নির্মমতা!

অনলাইন ডেস্ক: | প্রকাশিত ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২০:৫৮:২২

হিন্দুত্ববাদী গ্রুপগুলোর ‘গোরক্ষা’ আন্দোলন নিয়ে ভারতে যখন হৈচৈ চলছে, তখন আগুনে ঘি ঢালার মতো বার্তা নিয়ে হাজির হয়েছে একটি এনজিও। বার্তাটি হলো: ‘দুধপান গরু ও মহিষের মতো প্রাণিগুলোর প্রতি অত্যন্ত নির্মম আচরণ’।
ভারতে দুধকে সর্বরোগের মহৌষধ মনে করা হয়। শুধু তা নয়, প্রত্যহ দুধপান ও দুগ্ধজাত পণ্য খাওয়াকে সমৃদ্ধির চিহ্ন হিসেবে দেখা হয়।
অবস্থা যখন এ-রকম, ঠিক তখন দিল্লিভিত্তিক ‘ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ান অ্যানিমাল প্রোটেকশন অর্গানাইজেশন (ফিয়াপো)’ জোরেশোরে যে বিষয় তুলে ধরতে চাচ্ছে তা হলো: দুধপান করা গরুর প্রতি জঘন্য নির্মমতা এবং শিশুদের জন্য এটি একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া।
সংগঠনটি আগামী সপ্তাহে ‘ডোন্ট গেট মিল্কড’ শিরোনামে একটি প্রচারাভিযান শুরু করবে। এ অনলাইন প্রচারাভিযানে প্রাণীর প্রতি নির্মম আচরণ থেকে বিরত থাকতে দুধপানকারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হবে।
ফিয়াপো’র পরিচালক অর্পণ শর্মা টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘একটি বাছুরের জন্ম থেকেই শুরু করা যাক, একটি বাচ্চার জন্মের পরপরই তাকে মা থেকে বিচ্ছিন্ন রাখা হয়। গরু ও মহিষের জন্য এ আচরণটি কত নির্মম। বকনা বাছুর (মেয়েজাতীয়) হলে সেগুলোকে বাঁচতে দেওয়া হয়। এঁড়ে (ছেলেজাতীয়) হলে দুধ উৎপাদনের জন্য কিছুদিন বাঁচিয়ে রেখে কসাইয়ের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হয়।’
তিনি বলেন, ‘সন্তান যখন দুধপানের জন্য যায়, তখন দুধ নিঃসরণের জন্য মাকে মানসিক যন্ত্রণা দেওয়া হয়। এটিই দুধ উৎপাদন! দুধ বের করে আনার জন্য তার শরীরে হরমোন অক্সিটোসিন ঢোকানো হয়। এটি বেআইনি হলেও উৎপাদনকারীরা তা হরদম করছেন।’
তিনি বলেন, ‘বকনা বাছুরকে মায়ের সঙ্গে থাকতে দেওয়া হয় না। একটু বেড়ে উঠলেই তার মধ্যে কৃত্রিমভাবে শুক্রাণু প্রবেশ করানো হয়। এটাতো ধর্ষণের মতো। গরু যদি আমাদের মা হয়, আমরা যদি এটা বিশ্বাস করি, তাহলে আমরা এটাকে কিভাবে মেনে নেব?’ সম্পাদনা : পরাগ মাঝি


footer logo

 ঢাকা অফিস
GA-99/3  Pragati sharani
Gulshan Dhaka 1212
ই-মেইল:- info@bdnationalnews.com

.