ছবি ভিডিও

বাংলাদেশ মঙ্গলবার 26, March 2019 - ১২, চৈত্র, ১৪২৫ বাংলা

Software Industry Management

অরণ্যে রোদন

কে বা আঁখি মেলে রে

প্রকাশিত ০৭ মে, ২০১৬ ১৭:০৬:০৫

আজ অরণ্যে রোদন লেখার দিন। কত বিষয় আছে চারদিকে। লিখে ফেললেই হয়! সুন্দরবনে আগুন লেগেছে। খবরের কাগজ এক মাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়ার ক্ষমতা প্রেস কাউন্সিলকে দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম মনিটর করার জন্য কমিটি হচ্ছে। উত্তরায় পোশাকশিল্পের কর্মকর্তা গুলিতে নিহত। সিঙ্গাপুরে আরও আটজন বাংলাদেশি জঙ্গি তৎপরতার অভিযোগে গ্রেপ্তার। বিদেশের শ্রমবাজারে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া। জঙ্গিদের হাতে খুন হচ্ছে মানুষ। তবে পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেছেন, জঙ্গি দমনে বাংলাদেশ পৃথিবীর আদর্শ হতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়াল ছুটে এসেছেন ঢাকায়, কর্তাদের সঙ্গে দেখা করে বলছেন, হত্যাকাণ্ডগুলোর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচার করুন, অপরাধীদের শায়েস্তা করুন। সারা পৃথিবীর কাগজে কাগজে বাংলাদেশের টার্গেট কিলিং নিয়ে উদ্বেগ। শুধু উদ্বেগের কোনো চিহ্ন নেই তাঁদের চোখে-মুখে, সংলাপে-বচনে, যাঁদের উদ্বিগ্ন দেখতে পেলে আমাদের উদ্বেগ কিছুটা কমত! তাঁরা বলেই চলেছেন, সবকিছু ঠিক আছে। এসব করছে বিরোধী দল। এরই ফাঁকে আমরা ভুলে গেলাম যে তনু নামের একজন ছিল, কুমিল্লার; তঁার লাশ পড়ে রইল বাড়ির অদূরে, কিন্তু সেই হত্যাকাণ্ডের কোনো কূলকিনারা হলো না। হবে যে, সে আশাও কোথাও নেই।
একটা কৌতুক ছিল। বুশ বলছেন, আমি সাদ্দাম হোসেনকে এমন শিক্ষা দেব যে এক লাখ ইরাকি এবং একজন বাংলাদেশি নিহত হবে।
সবাই বলল, এক লাখ ইরাকি তো বুঝলাম, একজন বাংলাদেশি কেন মারা যাবে?
বুশ বললেন, বলেছিলাম কিনা, ইরাকিদের জীবন নিয়ে কারও কোনো উদ্বেগ নেই, এক লাখ ইরাকি নিয়ে কেউ ততটা চিন্তিত না, যতটা চিন্তিত একজন বাংলাদেশির জীবন নিয়ে।
সোহাগী জাহান তনুকে নিয়ে আমরা যে শোক করব, তঁার নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ যে আমরা করব, সে সময়টা আমরা পাচ্ছি কোথায়। একের পর এক মৃত্যুর মিছিল আমাদের ভুলিয়ে দিচ্ছে সব। আজকের নৃশংসতায় আমরা ভুলে যাচ্ছি কালকের কথা। আর সবচেয়ে ভয়াবহ কথা, নিয়মিত মানুষের ঘাড়ে চাপাতির কোপ দেওয়া হবে এবং হত্যাকারীরা নির্বিঘ্নে পালিয়ে যাবে, এটা আমরা স্বাভাবিক বলে ধরে নিয়েছি।
দেশের যখন এই পরিস্থিতি, তখন আমাদের সান্ত্বনা এই যে দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকার ক্ষমতায়। তখন আমাদের জন্য সান্ত্বনা এই যে যারা মারছে, তারা আইএস নয়, আল-কায়েদা নয়। যেন আইএসের দায়ের কোপের চেয়ে স্থানীয় বিচ্ছিন্ন জঙ্গির চাপাতির কোপটা একটু কম কষ্টদায়ক।
পরিস্থিতি কী, সরকার কতটুকু সামাল দিতে পারছে, এটা তো মোটামুটি চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে। লুকোছাপার তো কিছু নেই। কিন্তু সরকারের দ্বিতীয় সারির মন্ত্রী ও নেতাদের বাগাড়ম্বর কাটা ঘায়ে নুনের ছিটার মতো লাগছে। দ্রুত ঘটে যাওয়া একটার পর একটা ঘটনার বিশ্লেষণ নাগরিকেরা নানাভাবে করতে পারে। ১. সরকার চেষ্টা করছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে, নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা দিতে, সরকারের চেষ্টা ও আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। ২. সরকার চেষ্টা করছে, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝছে, কিন্তু লোকবল, রসদ, দক্ষতার অভাব আছে। ফলে আশানুরূপ সফলতা অর্জিত হয়নি। সেটা কাটিয়ে ওঠার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। ৩. সরকার পরিস্থিতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে পারছে না। তারা ভাবছে যে সবকিছু ঠিক আছে। সবকিছু ‘মিডিয়ার সৃষ্টি’। আর বিরোধী দলের ষড়যন্ত্র। কাজেই উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই।
সেই যে অলস ব্যক্তিদের ঘরে যখন আগুন লাগিয়ে দেওয়া হলো, সবাই পড়িমরি পালালেও দুজন শুয়েই রইল, তারা বলাবলি করল, ‘কত রবি জ্বলে রে, কেবা আঁখি মেলে রে।’ আমাদের রংপুরে অবশ্য বচনটা এভাবে প্রচলিত ছিল, ‘আজ বড়ো রবির জ্বালা, চক্ষু মেলে কোন শালা।’ ঘরে যে আগুন লেগেছে, তা বুঝতে পারছেন না বাক্যবাগীশ নেতা-মন্ত্রীরা; তাঁরা ভাবছেন, পুবের জানালা দিয়ে ঘরে রোদ ঢুকেছে।
তা যদি ঘটে থাকে, তাহলে? তাহলে আমি এই দেশের কোনো ভবিষ্যৎ দেখি না। কবি নির্মলেন্দু গুিণের একটা অপূর্ব প্রেমের কবিতা আছে।
‘আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন আমার জন্য অপেক্ষা করুক,
শুধু ঘরের ভেতর থেকে দরজা খুলে দেওয়ার জন্য।
বাইরে থেকে দরজা খুলতে খুলতে আমি এখন ক্লান্ত।’
আমরা, বাংলাদেশের সাধারণ নাগরিকেরা, বলছি না যে আমাদের ঘরে ঘরে পুলিশি পাহারা দেওয়া হোক। কিন্তু এটা তো আমরা চাইতেই পারি যে, একজন মন্ত্রী তনুর বাড়িতে যাক, তাঁর বাবার হাত ধরে বলুক, আপনার মেয়ে আমারও মেয়ে। আমরা দাবি করছি না, বাংলাদেশে এই বছরেই খুনের কোঠা শূন্যে নামিয়ে আনতে হবেই, কিন্তু এটা কি আমাদের জন্য বেশি চাওয়া হবে যে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিহত নির্বিবাদী সৌম্যকান্তি অধ্যাপকের বাড়িতে নেতা–নেত্রী-মন্ত্রীদের কেউ উপস্থিত হবেন, তাঁর সন্তানের হাত ধরে বলবেন, তোমার বাবা হারানোর শোক আমাদের বুকেও সমানভাবে বাজছে? আমরা কেউই আশা করছি না, আজ থেকে বাংলাদেশে ডান-বাম, দেশি-বিদেশি, ছিঁচকে-বহুজাতিক, অরণ্যচারী কিংবা জনপদে লুক্কায়িত সব ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গি, ডাকাত, অপরাধী, ধর্ষক, চরমপন্থী দলগুলো নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে—কিন্তু ভীত-বিহ্বল আতঙ্কগ্রস্ত নাগরিকদের সামনে কেউ একজন বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে তর্জনী তুলে তো বলবেন, বন্ধ করো এই খুনের মিছিল, আর যদি একটা চাপাতি ওঠে, আর যদি আমার মানুষকে হত্যা করা হয়... বলবেন যে আমরা ৩৬০ ডিগ্রি ব্যবস্থা নিচ্ছি, সব ধরনের সন্ত্রাস, জঙ্গিপনা, সহিংসতা আমরা বন্ধ করতে আটঘাট বেঁধে নামছি, আমরা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ব, আমরা মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগোব, আমরা এসবের আন্তর্জাতিক যোগাযোগের পথ বন্ধ করব, অর্থের উৎসমুখ স্তব্ধ করব, প্রতিটা ঘটনার অনুপুঙ্খ তদন্ত করছি, অপরাধীদের চিহ্নিত করা হবে, তাদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি
দেওয়া হবে, আর তাদের নেটওয়ার্ক ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।
নির্মলেন্দু গুহণের ‘আমি বলছি না ভালোবাসতেই হবে’ কবিতায় আরও আছে—
‘আমি বলছি না ভলোবাসতেই হবে, আমি চাই
কেউ একজন ভেতর থেকে আমার ঘরের দরজা
খুলে দিক। কেউ আমাকে কিছু খেতে বলুক।
কাম-বাসনার সঙ্গী না হোক, কেউ অন্তত আমাকে
জিজ্ঞেস করুক: “তোমার চোখ এত লাল কেন?”’
আমরা, বাংলাদেশের শান্তিপ্রিয় নাগরিকেরা, যারা সব সময়ই মধ্যপন্থাকে ভালোবেসে এসেছি, যারা যেকোনো উগ্রতা, চরমপন্থা, হঠকারিতা, নৃশংসতার বিরুদ্ধে চিরকাল ছিলাম, আছি ও থাকব, তারা বলছি না, সরকার এসে আমার বাড়ির চারপাশে প্রহরী বসিয়ে দিক, কিন্তু এটা নিশ্চয়ই আমরা চাইতে পারি, কেউ এসে আমাদের বলুক, তোমার চোখ এত লাল কেন? কেন তুমি এতটা উদ্বিগ্ন? কেন তুমি আজ ভীত-বিহ্বল, ভবিষ্যতের আশাহীন?
বাংলাদেশের কাউন্টার টেররিজমের সক্ষমতায় ঘাটতি আছে, আমাদের দক্ষ জনবল লাগবে, রসদ লাগবে, প্রযুক্তি লাগবে, আন্তর্জাতিক লিয়াজোঁ দরকার হবে। কিন্তু সবার আগে দরকার রাজনৈতিক সদিচ্ছা, তারও আগে দরকার পরিস্থিতির ভয়াবহতা স্বীকার করে নেওয়া, দরকার সংবেদনশীলতা। সরকারের মাইক্রোফোনগুলো, যারা অহর্নিশ বেজে চলেছে, তাদের আর যা-ই মনে হোক, সংবেদনশীল মনে হয় না। তারা একটা ভাঙা রেকর্ড বাজিয়ে চলেছে। সেই ভাঙা রেকর্ড নিহত ব্যক্তিদের শোকার্ত স্বজনদের কাছে পরিহাসের মতো শোনাচ্ছে।
অথচ কী সুন্দর একটা দেশই না আমরা পেয়েছি। কী চমৎকার সৃষ্টিশীল এই দেশের মানুষ। ময়মনসিংহ শহর থেকেও অনেক দূরে গারো পাহাড়ের কোলঘেঁষা সীমান্তবর্তী গ্রাম কলসিন্দুর। সেই গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়েরা বারবার চ্যাম্পিয়ন হয় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা কাপ ফুটবলে। অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় দলে ওই একটা গ্রামেরই আটজন মেয়ে খেলে। তারা তাজিকিস্তানে গিয়ে নেপালকে হারিয়েছে ৯-০ গোলে, তাজিকিস্তানকে হারিয়েছে ৯-১ গোলে, আর ফাইনালে ভারতকে ৪-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে দেশে ফিরল দুই দিন আগে। পরপর দুবার এএফসি কাপের আঞ্চলিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হলো তারা। এবারের অধিনায়কের নাম তহুরা। ফাইনালে হ্যাটট্রিক করেছে সে। তার বাবা ফিরোজ মিয়া একজন কৃষক।
আমাদের মুস্তাফিজের বাড়ি সাতক্ষীরা শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার দূরে। সেজো ভাইয়ের মোটরবাইকে চড়ে তিনি ৪০ কিলোমিটার দূরে সাতক্ষীরা শহরে যেতেন ক্রিকেট অনুশীলন করতে। সেখান থেকে তিনি এলেন ঢাকায়, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের নেট প্র্যাকটিসের সময় বল করতে দেওয়া হলো তাঁকে। তারপরের হিসাব লেখা আছে ক্রিকেটের রেকর্ড বইয়ে। টেস্ট, এক দিনের ম্যাচ, টি-টোয়েন্টি—তিন ধরনের ক্রিকেটে নেমেই বিশ্ব রেকর্ড। এখন আইপিএল খেলছেন। ওখানেও হইচই হচ্ছে তাঁকে নিয়ে।
সম্প্রতি মৌলিক পদার্থবিজ্ঞানে ‘ব্রেকথ্রু পুরস্কার’ ঘোষণা করা হয়েছে। ৩০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যের এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে মহাকর্ষ তরঙ্গ শনাক্তকারী বিজ্ঞানী দলকে। সে দলে মোট ১ হাজার ১৫ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে আছেন যে দুজন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী—পাবনার বেড়া উপজেলার স্কুলশিক্ষকের ছেলে সেলিম শাহরিয়ার আর বরগুনার ছেলে দীপঙ্কর তালুকদার। দীপঙ্কর তালুকদার বরগুনা পাঠশালা, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বরগুনা জিলা স্কুল, বরগুনা সরকারি কলেজে পড়েছেন। তাঁর বড় ভাইকে ক্লাস নাইনে লেখাপড়া ছাড়তে হয়েছিল সংসার চালানোর জন্য। রাস্তার ধারে বসে চাল-আটা বিক্রি করে ভাই সংসার চালাতেন আর দীপঙ্কর লেখাপড়া করতেন। সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হয়ে ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি, জার্মানির আইনস্টাইন ইনস্টিটিউট।
বাংলাদেশের মানুষের সম্ভাবনা অমেয়, ব্যক্তিগত মানুষ এবং সম্মিলিত মানুষের অসম্ভবকে জিতে নেওয়ার ক্ষমতার কোনো তুলনা নেই। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে, এগিয়ে যাবেও।
কিন্তু আপাতত আমাদের চলছে সূর্যগ্রহণের কাল। দিনের বেলা অন্ধকার নেমে এসেছে সূর্যগ্রহণের ফলে। রাত হয়েছে ভেবে বেরিয়ে এসেছে নিশাচর পাখি, প্যাঁচা, বাদুড়। এই অন্ধকার তাড়াতে হবে। তাড়াতে আমরা পারব। কারণ, মোটের ওপর এই দেশের মানুষ শান্তিকামী। মোটের ওপর এই দেশের মানুষ অহিংস, মধ্যপন্থী, ভাবালু। মানুষে মানুষে সম্প্রীতিময় সহাবস্থানের ঐতিহ্য এই দেশের পুরোনো। সেটাই এই দেশের মানুষের আসল রূপ। শান্তিকামী মানুষের ঐক্য ও সমাবেশকে বড় করে তুলতে হবে। এ জন্য দরকার গণতান্ত্রিক পরিসর, বুক ভরে অক্সিজেন নেওয়ার মতো খোলা আকাশ। বিরোধী দল ও মতকে, ভিন্নমত ও বিক্ষোভকে প্রকাশিত হতে দেওয়ার জানালা। কোথাও ধোঁয়া দেখা গেলে বুঝতে হবে আগুন আছে। আগুনের কারণ দূর করতে হবে। ধোঁয়ার বিরুদ্ধে ছড়ি ঘুরিয়ে লাভ নেই। বাগাড়ম্বর করে লাভ তো নেই, বরং তা নাগরিকদের বিরক্তি ও বিক্ষোভ উৎপাদন করে। যারা নিরাপত্তা দিতে পারছে না, তারা যখন বাগাড়ম্বর করে, তখন সেটা রীতিমতো উত্ত্যক্তকরণ বলে মনে হয়।
আমাদের জেগে ঘুমোনো কর্তারা আর কী ঘটলে যে চোখ মেলে চাইবেন!
আনিসুল হক: সাহিত্যিক ও সাংবাদিক।


পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

কলেজছাত্রী খাদিজার ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের দ্রুত ও সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সিলেটবাসী। এই

'স্বল্প সময়ের মধ্যেই জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে'

'স্বল্প সময়ের মধ্যেই জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে'

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু হলেও ধর্মান্ধ নয়। এ দেশের মানুষ কখনোই জঙ্গিবাদকে সমর্থন দেয়নি। দেশের মানুষের

জয় - আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দেবেন

জয় - আওয়ামী লীগের সম্মেলনে যোগ দেবেন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব


মিতু হত্যা: মুসাকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার

মিতু হত্যা: মুসাকে ধরিয়ে দিলে ৫ লাখ টাকা পুরস্কার

প্রাক্তন পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি

দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রকাশক,সম্পাদক,বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা,মামলা প্রতাহারের  দাবি 

দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রকাশক,সম্পাদক,বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা,মামলা প্রতাহারের  দাবি 

উজ্জ্বল রায়, নড়াইল জেলা প্রতিনিধি:দৈনিক যশোর পত্রিকার প্রকাশক,সম্পাদক,বার্তা সম্পাদকের বিরুদ্ধে মিথ্যা,মামলা প্রতাহার দাবিতে নড়াইল জেলা

হবিগঞ্জী বাসের চাপায় এক যুবকের মৃত্যু

হবিগঞ্জী বাসের চাপায় এক যুবকের মৃত্যু

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে হবিগঞ্জ বিরতিহীন বাসের চাপায় পড়ে নান্টু চন্দ্র শীল (৩৯) নামে এক যুবকের


বগুড়ায় দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭

বগুড়ায় দু’টি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৭

ধবগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচ নারী নিহত

খাদিজার হামলাকারি বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে

খাদিজার হামলাকারি বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে

সলেট প্রতিনিধি: আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সিলেটে কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে হত্যাচেষ্টাকারী বদরুল আলম

ভুলুন্ঠিত মানবতাকে রক্ষা করলেন ইমরান, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন খাদিজা

ভুলুন্ঠিত মানবতাকে রক্ষা করলেন ইমরান, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন খাদিজা

সিলেট জেলা প্রতিনিধি :: মানতার দুষমন, নিষ্ঠুর অমানুষ বদরুলের চাপাতির আঘাতে ভুলুন্ঠিত মানবতা। ধারালো চাপাতির



আরো সংবাদ


সিলেট ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

সিলেট ইয়াবাসহ ২ যুবক গ্রেফতার

০২ অক্টোবর, ২০১৬ ১৩:৪৯

অস্ত্র ও গুলিসহ রাজবাড়ীতে আটক ১

অস্ত্র ও গুলিসহ রাজবাড়ীতে আটক ১

০২ অক্টোবর, ২০১৬ ১২:১৮









নড়াইলে ইয়াবাসহ ১ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

নড়াইলে ইয়াবাসহ ১ সন্ত্রাসী গ্রেফতার

২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৩:২০


ব্রেকিং নিউজ












খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

০৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:৫৪