ছবি ভিডিও

বাংলাদেশ বুধবার 24, April 2019 - ১১, বৈশাখ, ১৪২৬ বাংলা

Software Industry Management

বাংলাদেশে স্বাধীন গণমাধ্যম দমনের চেষ্টা

প্রকাশিত ১৩ মে, ২০১৬ ২৩:৪৫:১০

জনগণের জানার অধিকার মুক্ত সমাজের মূল ভিত্তি। তথ্যের অবাধ প্রবাহ না থাকলে গণতন্ত্রে অন্য সব স্বাধীনতা বিপন্ন হয়। এ কারণে বাংলাদেশের ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ আক্রমণের বিষয়ে বিশ্বের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। বাংলাদেশে স্বাধীন গণমাধ্যম দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিবিসির দক্ষিণ এশিয়া প্রতিনিধি জাস্টিন রোলাটের লেখা এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দ্য ডেইলি স্টার বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক। ২৫ বছর আগে বাংলাদেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরে এলে পত্রিকাটি চালু হয়। সাংবাদিকতায় সততার চর্চা এবং মুক্ত ও প্রগতিশীল মত প্রকাশের জন্য পত্রিকাটির খ্যাতি আছে। এটি অনেকটা বাংলাদেশি নিউইয়র্ক টাইমস। তাই, এটা খুবই দুঃখজনক যে, মাহ্ফুজ আনাম এখন রাষ্ট্রদ্রোহ অভিযোগের মুখোমুখি।
রোলাট লিখেছেন, মাহ্ফুজ আনামকে ‘পুরোপুরি নীতিহীন’ ও ‘মিথ্যাবাদী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ। তাঁকে (মাহ্ফুজ আনাম) কারাগারে পাঠানোরও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর এমন বক্তব্যের পর খ্যাতিমান এই সম্পাদকের বিরুদ্ধে বেশ কিছুসংখ্যক রাজনীতিবিদ, ছাত্রসহ অন্যরা মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ডেইলি স্টার এবং বাংলাদেশের সর্বাধিক প্রচারিত বাংলা দৈনিক প্রথম আলোর অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল করতে ইতিমধ্যে গোপন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। গত গ্রীষ্ম থেকে বিবিসি বিষয়টি লক্ষ করছে। বাংলাদেশে কিছু বৃহত্তম টেলিকম ও ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানকে এই দুই পত্রিকায় তাদের বিজ্ঞাপন দিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা।
বাংলাদেশের বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন এ বিষয়টি আল-জাজিরার কাছে স্বীকার করেছে। গ্রামীণফোনের মূল কোম্পানি টেলিনরের যোগাযোগপ্রধান বলেছেন, অন্য কতিপয় প্রতিষ্ঠানের মতো তারাও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এই দুই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা পেয়েছে।
কর্তৃপক্ষের এই পদক্ষেপের ফলে প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার এক-তৃতীয়াংশ আয় হারিয়েছে বলে এক হিসাবে দেখা গেছে।
সাংবাদিক ও ভাষ্যকার ডেভিড বার্গম্যানের ভাষ্য, এখন পর্যন্ত আইনে কর্তৃপক্ষের আদেশের কোনো ভিত্তি নেই। কর্তৃপক্ষ আদেশটি স্রেফ জোর করে চাপিয়ে দিয়েছে। এই তৎপরতার উদ্দেশ্য পরিষ্কার। তা হলো, স্বাধীন গণমাধ্যমকে বশে আনা এবং ভিন্নমত দমন করা। তাদের বার্তা হলো, ‘সীমা লঙ্ঘন করলে তারা ব্যবস্থা নেবে’। কিন্তু এ ক্ষেত্রে কোনো সুনির্দিষ্ট সীমা ঠিক করা নেই। সীমার বিষয়টি গণমাধ্যমের নিজস্ব নীতির ওপর নির্ভরশীল। আর কর্তৃপক্ষের এমন কৌশল কাজে দিচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
বার্গম্যান লিখেছেন, বাংলাদেশে এমন কোনো সংবাদপত্র বা টেলিভিশনের সম্পাদক নেই, যাঁরা ওই নিষেধাজ্ঞার কথা জানেন না। কিন্তু দেশটির ৩০টির মতো টিভি চ্যানেল ও অসংখ্য সংবাদপত্রের মধ্যে কোনোটি এখন পর্যন্ত প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে ভীতি প্রদর্শনের বিষয়ে প্রতিবেদন করেনি।
বিষয়টি সম্পর্কে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কাছে বিবিসির এই প্রতিনিধি জানতে চাইলে তিনি এ ধরনের (বিজ্ঞাপন বন্ধ) কোনো আদেশের কথা জানেন না বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র বা কোনো প্রতিষ্ঠান যদি আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দেয়, তবে তিনি তা তদন্ত করবেন। আর যদি ব্যবসার ওপর কোনো অবৈধ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়, তবে তিনি ব্যবস্থা নেবেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেইলি স্টার পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের বিষয়টি বাংলাদেশের গণমাধ্যমে খুব একটা আসছে না। তবে মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ ব্যাপক প্রচার পাচ্ছে। কারণ, মাহ্ফুজ আনাম ভুল স্বীকার করেছেন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে একটি টেলিভিশনে মাহ্ফুজ আনাম স্বীকার করেন, ২০০৭ সালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে তৎকালীন সেনা-সমর্থিত সরকারের সরবরাহ করা তথ্য অন্য কোনো সূত্র থেকে নিশ্চিত না করে তাঁর পত্রিকায় ছাপা হয়েছিল।
এ প্রসঙ্গে মাহ্ফুজ আনাম ওই টেলিভিশনে বলেছেন, এটা একটা বড় ভুল ছিল। বাজে সম্পাদকীয় বিবেচনা ছিল। কিন্তু মাহ্ফুজ আনামের এই ভুল রাষ্ট্রদ্রোহ কি না, সেটা পুরোপুরি ভিন্ন বিষয়। প্রধানমন্ত্রীর ছেলের দাবি, সামরিক শাসনের সমর্থনে মাহ্ফুজ আনাম ও ডেইলি স্টার-এর ওই সময়কার নিবন্ধের উদ্দেশ্য ছিল, তাঁর মাকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়া।
তবে এই অভিযোগ যুক্তি দিয়ে দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছেন মাহ্ফুজ আনাম। তিনি উল্লেখ করেছেন, সে সময় তাঁর পত্রিকায় ২০৩টি সম্পাদকীয় প্রকাশিত হয়েছে, যাতে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবি ছিল। একই সঙ্গে মাহ্ফুজ আনাম উল্লেখ করেছেন, দুর্নীতির অভিযোগে শেখ হাসিনাকে গ্রেপ্তার করার তীব্র সমালোচনা করে ডেইলি স্টার। গ্রেপ্তারের পর সম্পাদকীয়তে লেখা হয়, ‘আমাদের কাছে শেখ হাসিনার গ্রেপ্তার পুরোপুরি ভুল এবং আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া ছাড়া ক্ষমতার উদ্ধত করাঘাত।’
তা ছাড়া শেখ হাসিনা ও দলের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে ওঠা কোনো অভিযোগ কখনো আদালতে বিচার হয়নি। কারণ, ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর নির্বাহী আদেশে সব মামলা বাদ দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে বিএনপির বিরুদ্ধে ওঠা একই ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ বহাল রাখা হয়েছে। বিএনপির অনেক নেতা এখন কৌশলগতভাবে জামিনে আছেন।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডেইলি স্টার-এর বিরুদ্ধে কোনো তৎপরতার কথা অস্বীকার করেছেন তথ্যমন্ত্রী ইনু। তাঁর ভাষ্য, মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো এনেছেন বিভিন্ন ব্যক্তি। এতে সরকারের হাত নেই। মাহ্ফুজ আনাম দোষী কি না, তা নির্ধারণ করবেন আদালত।
মাহফুজ আনামের বিরুদ্ধে এ ধরনের আক্রমণের প্রকৃত তাৎপর্য নিয়ে বার্গম্যানের কোনো সন্দেহ নেই। তিনি মনে করেন, এটা স্বাধীন গণমাধ্যম দমনের একটি চেষ্টা। বার্গম্যান এ বিষয়ে নিশ্চিত যে, সরকারের অনুগত ব্যক্তিরা যেকোনো প্রভাবশালী স্বাধীন গণমাধ্যম বা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে ভিন্নমতের গণমাধ্যম বন্ধ করে দিতে চান। অথবা নিদেনপক্ষে তা বশে আনতে চান। এই প্রবণতা বাংলাদেশের মতো নড়বড়ে গণতন্ত্রের দেশে অশুভ উপায়ে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরার বিষয়টিকে তুলে ধরবে।
যেহেতু বাংলাদেশের গণমাধ্যম এ বিষয়ে কথা বলতে ভয় পাচ্ছে, তাই বাকি বিশ্বের কিছু করার সময় এসেছে।
মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক সংগঠন দ্য ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব জার্নালিস্টস (আইএফজে)। সংগঠনটি মাহ্ফুজ আনামের বিরুদ্ধে মামলাকে আইনি হয়রানি হিসেবে অভিহিত করেছে। এখন বিশ্বের সরকারগুলোরও একই কাজ করা উচিত বলে মত রোলাটের। তাঁর মতে, এ ক্ষেত্রে শুরুর কাজটা যুক্তরাজ্য সরকার করলেই সবচেয়ে ভালো হয়।
এ প্রসঙ্গে রোলাট ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাজ্যের নতুন হাইকমিশনার অ্যালিসন ব্লেইকের কিছু বক্তব্য উল্লেখ করেছেন। কয়েক সপ্তাহ আগে ব্লেইক বলেছেন, কমনওয়েলথভুক্ত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্য একগুচ্ছ মৌলিক মূল্যবোধের অংশীদার। এর মধ্যে রয়েছে সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি অঙ্গীকার, মানবাধিকার সুরক্ষা ও সমুন্নত রাখার প্রতি অঙ্গীকারসহ একটি সহনশীল ও বহুত্ববাদী ব্যবস্থা।
বাংলাদেশ সরকারকে তার অঙ্গীকারের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে ব্লেইকের আহ্বান জানানোর এটাই জুতসই সময় হতে পারে বলে মত রোলাটের।
(ঈষৎ সংক্ষেপিত)

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (জাগই - সাবেক জাতীয় সম্প্রচার একাডেমি) ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং আইটিইউ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পরূপে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে কার্যক্রম শুরু করে। এ’ ইনস্টিটিউট (জাগই) তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশে তথ্য সার্ভিস ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একমাত্র সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এ’ ইনস্টিটিউটে বেতার-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিষয়সমূহ,তথ্য সার্ভিসের পেশাগত প্রশিক্ষণ, চলচ্চিত্র, রিপোর্টিং এবং তথ্য ও উন্নয়ন যোগাযোগের ওপর প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারা পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া, বেসরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যাঁরা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত সম্প্রচার ও যোগাযোগ কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানদানের মাধ্যমে সম্প্রচার, চলচ্চিত্র ও গণযোগাযোগ কর্মকান্ডের উন্নতি সাধন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের সময়োপযোগী উন্নয়ন এ ইনস্টিটিউটের মূল দায়িত্ব। উন্নয়ন যোগাযোগকে আরও গতিশীল ও বস্ত্তুনিষ্ঠ করে তোলা এর অন্যতম কর্তব্য। সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিভি ও বেতার চ্যানেলও  ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, এর প্রেক্ষিত ও পরিধির গুণগত ও পরিমাণগত তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্যক্রম :

 ক) অনুষ্ঠান, প্রকৌশল ও সংবাদ কর্মীদের চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার কার্যক্রমের সার্বিক  উন্নয়ন;

খ)  উন্নয়ন সম্প্রচার, উন্নয়ন যোগাযোগ, বেতার ও টেলিভিশনসহ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান;

গ)  ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম এবং চলচ্চিত্র বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং উপাত্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা;

ঘ)  বেতার, টেলিভিশন এবং গণযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরামর্শ, উপদেশ এবং সেবা দান;

ঙ)  উন্নয়নসম্প্রচার ও যোগাযোগের সাথে সম্পৃক্ত আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা;

চ)  ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যৌথভাবে উন্নয়ন-যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত পাঠ্যধারার আয়োজন ও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া;

ছ)  সমধর্মী  কার্যক্রম  পরিচালনায়  অন্যান্য সংস্থার (জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক) সাথে সম্পর্ক এবং সমন্বয় সাধন;

জ)   ভিডিও এবং  অডিও টেপ এবং নির্দেশিকা সামগ্রীসমৃদ্ধ তথ্য ব্যাংক স্থাপন করা;

ঝ) বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং জনসংযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন যোগাযোগ ও উন্নয়ন-সম্প্রচারের  সাথে সংশিস্নষ্ট যে কোন পরামর্শ ও সেবা প্রদান;

ঞ) বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের আদর্শ মান উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন;

ট)  দর্শক-শ্রোতা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং

ঠ) বেসরকারি সংগঠন, ব্যক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান।

কর্মপরিধি :

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বেতার ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিবেশনা, নির্মাণ ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সত্মর- বিশিষ্ট পাঠ্যধারার ব্যবস্থা রয়েছে।  গণযোগাযোগ অধিদফতর, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশিস্নষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এর অন্যতম দায়িত্ব। এই পাঠ্যধারাসমূহ  তিন পর্যায়ের  কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত; যাঁরা-

১.      তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-১)

২.     তত্ত্বাবধান ব্যতীত দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-২)

৩.     নিজেরাই তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করেন (স্তর-৩)

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি :

বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বেতার ও টেলিভিশন প্রকৌশল,টেলিভিশনের জন্য ইএনজি/ইএফপি, উন্নয়ন সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশন মাধ্যম শিক্ষা সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, বেতার ও টেলিভিশন নাটক, বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য পান্ডুলিপি লিখন, বেতার ও টেলিভিশনে জনসংখ্যা যোগাযোগ অনুষ্ঠান, টেলিভিশন শিল্প নির্দেশনা ও গ্রাফিক্স, ক্যামেরা চালনা ও আলোকসম্পাত, ডিজিটাল ফটো সাংবাদিকতা, তথ্য ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা, প্রমিত বাংলা উচ্চারণ ও বানান, মাঠ সম্প্রচার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, গণযোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, চলচ্চিত্র (পান্ডুলিপি, পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও শব্দগ্রহণ), সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা, দশর্ক-শ্রোতা গবেষণা ও অনুষ্ঠান মূল্যায়ন, নন-লিনিয়ার এডিটিং, ভিডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা কৌশল, ডিজিটাল পদ্ধতি, গ্রামীণ মহিলাদের জন্য সম্প্রচার, সংবাদ প্রতিবেদন লিখন, পঠন ও সম্পাদনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ কৌশল, প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন যোগাযোগ, প্রশিক্ষণের ফলাফল যাচাই ও মূল্যায়ন, ইংরেজি ভাষা: কথন, লিখন রীতি ও পেশাগত ব্যবহার ও অপব্যবহার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এর নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম ছাড়াও এআইবিডি, এসকাপ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, আর টি আই, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় অথবা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

গবেষণা কার্যক্রম :

দর্শক-শ্রোতার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রচার যোগাযোগ  সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গবেষণা সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

 ইনস্টিটিউটের স্টাফ :

ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। বর্তমানে প্রায় বিশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অন্যান্য স্টাফের সহায়তায় প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত। বাইরে থেকে সম্প্রচার যোগাযোগ, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিবর্গও প্রশিক্ষণে অতিথিবক্তা বা সম্পদ ব্যক্তিরূপে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি :

ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থী এবং সম্পদব্যক্তিদের চাহিদার প্রয়োজনে একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় বইপত্র প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের অধ্যয়নের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। লাইব্রেরির বই এর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

ডরমিটরি :

ইনস্টিটিউটে চারতলাবিশিষ্ট একটি ডরমিটরি রয়েছে। ৩৯টি কক্ষ আছে এর মধ্যে ৭টি কক্ষ শীততপ নিয়ন্ত্রিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ চলাকালীন এখানে অবস্থান করার সুযোগ পান।

ক্যাফেটেরিয়া :

ডরমিটরিতে একটি ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। এখানে সম্পদব্যক্তি, অনুষদবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার ব্যবস্থা রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা :

 আধুনিক ধারণযন্ত্র ও সম্পাদনা সুবিধাসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিভিশন স্টুডিও, দুইটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বেতার স্টুডিও, আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ আটটি শ্রেণীকক্ষ, ইএনজি/ ইএফপি যন্ত্রসামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস এবং ডিজিটাল পরীক্ষণের জন্য কারিগরি গবেষণাগার, লেজার ও ইমেজ মুদ্রণের সুবিধাসহ মাইক্রো-কম্পিউটার, পাঠাগার, ডরমিটরি, ১৬ মি. মি. মুভি ক্যামেরা, ১৬  ও ৩৫ মি. মি. ফিল্ম প্রজেক্টর, ১৬ মি: মি: ফিল্ম সম্পাদনা টেবিল, স্লাইড প্রজেক্টর , ওএইচপি, ফটোকপিয়ার মাল্টিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব, নন লিনিয়ার অডিও, ভিডিও এডিটিং প্যানেল ইত্যাদি।

যোগাযোগ :

মহাপরিচালক

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

১২৫/এ, এ ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস-সালাম, ঢাকা - ১২১৬

পিএবিএক্স - ৯০০৭৪১০-১৪, ফ্যাক্স- ৯০০৫৫৮০

e-mail   : nimc@bangla.net

website : www.nimc.gov.bd

- See more at: http://www.nimc.gov.bd/site/page/a5aa3619-14d1-4773-ba03-20bee0e9c060/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF#sthash.NbsPHWr7.dpuf

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (জাগই - সাবেক জাতীয় সম্প্রচার একাডেমি) ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং আইটিইউ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পরূপে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে কার্যক্রম শুরু করে। এ’ ইনস্টিটিউট (জাগই) তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশে তথ্য সার্ভিস ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একমাত্র সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এ’ ইনস্টিটিউটে বেতার-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিষয়সমূহ,তথ্য সার্ভিসের পেশাগত প্রশিক্ষণ, চলচ্চিত্র, রিপোর্টিং এবং তথ্য ও উন্নয়ন যোগাযোগের ওপর প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারা পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া, বেসরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যাঁরা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত সম্প্রচার ও যোগাযোগ কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানদানের মাধ্যমে সম্প্রচার, চলচ্চিত্র ও গণযোগাযোগ কর্মকান্ডের উন্নতি সাধন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের সময়োপযোগী উন্নয়ন এ ইনস্টিটিউটের মূল দায়িত্ব। উন্নয়ন যোগাযোগকে আরও গতিশীল ও বস্ত্তুনিষ্ঠ করে তোলা এর অন্যতম কর্তব্য। সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিভি ও বেতার চ্যানেলও  ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, এর প্রেক্ষিত ও পরিধির গুণগত ও পরিমাণগত তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্যক্রম :

 ক) অনুষ্ঠান, প্রকৌশল ও সংবাদ কর্মীদের চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার কার্যক্রমের সার্বিক  উন্নয়ন;

খ)  উন্নয়ন সম্প্রচার, উন্নয়ন যোগাযোগ, বেতার ও টেলিভিশনসহ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান;

গ)  ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম এবং চলচ্চিত্র বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং উপাত্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা;

ঘ)  বেতার, টেলিভিশন এবং গণযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরামর্শ, উপদেশ এবং সেবা দান;

ঙ)  উন্নয়নসম্প্রচার ও যোগাযোগের সাথে সম্পৃক্ত আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা;

চ)  ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যৌথভাবে উন্নয়ন-যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত পাঠ্যধারার আয়োজন ও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া;

ছ)  সমধর্মী  কার্যক্রম  পরিচালনায়  অন্যান্য সংস্থার (জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক) সাথে সম্পর্ক এবং সমন্বয় সাধন;

জ)   ভিডিও এবং  অডিও টেপ এবং নির্দেশিকা সামগ্রীসমৃদ্ধ তথ্য ব্যাংক স্থাপন করা;

ঝ) বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং জনসংযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন যোগাযোগ ও উন্নয়ন-সম্প্রচারের  সাথে সংশিস্নষ্ট যে কোন পরামর্শ ও সেবা প্রদান;

ঞ) বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের আদর্শ মান উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন;

ট)  দর্শক-শ্রোতা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং

ঠ) বেসরকারি সংগঠন, ব্যক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান।

কর্মপরিধি :

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বেতার ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিবেশনা, নির্মাণ ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সত্মর- বিশিষ্ট পাঠ্যধারার ব্যবস্থা রয়েছে।  গণযোগাযোগ অধিদফতর, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশিস্নষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এর অন্যতম দায়িত্ব। এই পাঠ্যধারাসমূহ  তিন পর্যায়ের  কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত; যাঁরা-

১.      তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-১)

২.     তত্ত্বাবধান ব্যতীত দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-২)

৩.     নিজেরাই তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করেন (স্তর-৩)

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি :

বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বেতার ও টেলিভিশন প্রকৌশল,টেলিভিশনের জন্য ইএনজি/ইএফপি, উন্নয়ন সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশন মাধ্যম শিক্ষা সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, বেতার ও টেলিভিশন নাটক, বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য পান্ডুলিপি লিখন, বেতার ও টেলিভিশনে জনসংখ্যা যোগাযোগ অনুষ্ঠান, টেলিভিশন শিল্প নির্দেশনা ও গ্রাফিক্স, ক্যামেরা চালনা ও আলোকসম্পাত, ডিজিটাল ফটো সাংবাদিকতা, তথ্য ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা, প্রমিত বাংলা উচ্চারণ ও বানান, মাঠ সম্প্রচার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, গণযোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, চলচ্চিত্র (পান্ডুলিপি, পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও শব্দগ্রহণ), সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা, দশর্ক-শ্রোতা গবেষণা ও অনুষ্ঠান মূল্যায়ন, নন-লিনিয়ার এডিটিং, ভিডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা কৌশল, ডিজিটাল পদ্ধতি, গ্রামীণ মহিলাদের জন্য সম্প্রচার, সংবাদ প্রতিবেদন লিখন, পঠন ও সম্পাদনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ কৌশল, প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন যোগাযোগ, প্রশিক্ষণের ফলাফল যাচাই ও মূল্যায়ন, ইংরেজি ভাষা: কথন, লিখন রীতি ও পেশাগত ব্যবহার ও অপব্যবহার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এর নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম ছাড়াও এআইবিডি, এসকাপ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, আর টি আই, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় অথবা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

গবেষণা কার্যক্রম :

দর্শক-শ্রোতার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রচার যোগাযোগ  সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গবেষণা সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

 ইনস্টিটিউটের স্টাফ :

ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। বর্তমানে প্রায় বিশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অন্যান্য স্টাফের সহায়তায় প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত। বাইরে থেকে সম্প্রচার যোগাযোগ, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিবর্গও প্রশিক্ষণে অতিথিবক্তা বা সম্পদ ব্যক্তিরূপে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি :

ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থী এবং সম্পদব্যক্তিদের চাহিদার প্রয়োজনে একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় বইপত্র প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের অধ্যয়নের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। লাইব্রেরির বই এর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

ডরমিটরি :

ইনস্টিটিউটে চারতলাবিশিষ্ট একটি ডরমিটরি রয়েছে। ৩৯টি কক্ষ আছে এর মধ্যে ৭টি কক্ষ শীততপ নিয়ন্ত্রিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ চলাকালীন এখানে অবস্থান করার সুযোগ পান।

ক্যাফেটেরিয়া :

ডরমিটরিতে একটি ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। এখানে সম্পদব্যক্তি, অনুষদবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার ব্যবস্থা রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা :

 আধুনিক ধারণযন্ত্র ও সম্পাদনা সুবিধাসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিভিশন স্টুডিও, দুইটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বেতার স্টুডিও, আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ আটটি শ্রেণীকক্ষ, ইএনজি/ ইএফপি যন্ত্রসামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস এবং ডিজিটাল পরীক্ষণের জন্য কারিগরি গবেষণাগার, লেজার ও ইমেজ মুদ্রণের সুবিধাসহ মাইক্রো-কম্পিউটার, পাঠাগার, ডরমিটরি, ১৬ মি. মি. মুভি ক্যামেরা, ১৬  ও ৩৫ মি. মি. ফিল্ম প্রজেক্টর, ১৬ মি: মি: ফিল্ম সম্পাদনা টেবিল, স্লাইড প্রজেক্টর , ওএইচপি, ফটোকপিয়ার মাল্টিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব, নন লিনিয়ার অডিও, ভিডিও এডিটিং প্যানেল ইত্যাদি।

যোগাযোগ :

মহাপরিচালক

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

১২৫/এ, এ ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস-সালাম, ঢাকা - ১২১৬

পিএবিএক্স - ৯০০৭৪১০-১৪, ফ্যাক্স- ৯০০৫৫৮০

e-mail   : nimc@bangla.net

website : www.nimc.gov.bd

- See more at: http://www.nimc.gov.bd/site/page/a5aa3619-14d1-4773-ba03-20bee0e9c060/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF#sthash.NbsPHWr7.dpuf

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (জাগই - সাবেক জাতীয় সম্প্রচার একাডেমি) ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং আইটিইউ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পরূপে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে কার্যক্রম শুরু করে। এ’ ইনস্টিটিউট (জাগই) তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশে তথ্য সার্ভিস ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একমাত্র সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এ’ ইনস্টিটিউটে বেতার-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিষয়সমূহ,তথ্য সার্ভিসের পেশাগত প্রশিক্ষণ, চলচ্চিত্র, রিপোর্টিং এবং তথ্য ও উন্নয়ন যোগাযোগের ওপর প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারা পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া, বেসরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যাঁরা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত সম্প্রচার ও যোগাযোগ কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানদানের মাধ্যমে সম্প্রচার, চলচ্চিত্র ও গণযোগাযোগ কর্মকান্ডের উন্নতি সাধন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের সময়োপযোগী উন্নয়ন এ ইনস্টিটিউটের মূল দায়িত্ব। উন্নয়ন যোগাযোগকে আরও গতিশীল ও বস্ত্তুনিষ্ঠ করে তোলা এর অন্যতম কর্তব্য। সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিভি ও বেতার চ্যানেলও  ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, এর প্রেক্ষিত ও পরিধির গুণগত ও পরিমাণগত তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্যক্রম :

 ক) অনুষ্ঠান, প্রকৌশল ও সংবাদ কর্মীদের চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার কার্যক্রমের সার্বিক  উন্নয়ন;

খ)  উন্নয়ন সম্প্রচার, উন্নয়ন যোগাযোগ, বেতার ও টেলিভিশনসহ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান;

গ)  ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম এবং চলচ্চিত্র বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং উপাত্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা;

ঘ)  বেতার, টেলিভিশন এবং গণযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরামর্শ, উপদেশ এবং সেবা দান;

ঙ)  উন্নয়নসম্প্রচার ও যোগাযোগের সাথে সম্পৃক্ত আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা;

চ)  ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যৌথভাবে উন্নয়ন-যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত পাঠ্যধারার আয়োজন ও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া;

ছ)  সমধর্মী  কার্যক্রম  পরিচালনায়  অন্যান্য সংস্থার (জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক) সাথে সম্পর্ক এবং সমন্বয় সাধন;

জ)   ভিডিও এবং  অডিও টেপ এবং নির্দেশিকা সামগ্রীসমৃদ্ধ তথ্য ব্যাংক স্থাপন করা;

ঝ) বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং জনসংযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন যোগাযোগ ও উন্নয়ন-সম্প্রচারের  সাথে সংশিস্নষ্ট যে কোন পরামর্শ ও সেবা প্রদান;

ঞ) বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের আদর্শ মান উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন;

ট)  দর্শক-শ্রোতা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং

ঠ) বেসরকারি সংগঠন, ব্যক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান।

কর্মপরিধি :

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বেতার ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিবেশনা, নির্মাণ ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সত্মর- বিশিষ্ট পাঠ্যধারার ব্যবস্থা রয়েছে।  গণযোগাযোগ অধিদফতর, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশিস্নষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এর অন্যতম দায়িত্ব। এই পাঠ্যধারাসমূহ  তিন পর্যায়ের  কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত; যাঁরা-

১.      তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-১)

২.     তত্ত্বাবধান ব্যতীত দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-২)

৩.     নিজেরাই তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করেন (স্তর-৩)

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি :

বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বেতার ও টেলিভিশন প্রকৌশল,টেলিভিশনের জন্য ইএনজি/ইএফপি, উন্নয়ন সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশন মাধ্যম শিক্ষা সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, বেতার ও টেলিভিশন নাটক, বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য পান্ডুলিপি লিখন, বেতার ও টেলিভিশনে জনসংখ্যা যোগাযোগ অনুষ্ঠান, টেলিভিশন শিল্প নির্দেশনা ও গ্রাফিক্স, ক্যামেরা চালনা ও আলোকসম্পাত, ডিজিটাল ফটো সাংবাদিকতা, তথ্য ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা, প্রমিত বাংলা উচ্চারণ ও বানান, মাঠ সম্প্রচার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, গণযোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, চলচ্চিত্র (পান্ডুলিপি, পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও শব্দগ্রহণ), সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা, দশর্ক-শ্রোতা গবেষণা ও অনুষ্ঠান মূল্যায়ন, নন-লিনিয়ার এডিটিং, ভিডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা কৌশল, ডিজিটাল পদ্ধতি, গ্রামীণ মহিলাদের জন্য সম্প্রচার, সংবাদ প্রতিবেদন লিখন, পঠন ও সম্পাদনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ কৌশল, প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন যোগাযোগ, প্রশিক্ষণের ফলাফল যাচাই ও মূল্যায়ন, ইংরেজি ভাষা: কথন, লিখন রীতি ও পেশাগত ব্যবহার ও অপব্যবহার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এর নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম ছাড়াও এআইবিডি, এসকাপ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, আর টি আই, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় অথবা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

গবেষণা কার্যক্রম :

দর্শক-শ্রোতার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রচার যোগাযোগ  সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গবেষণা সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

 ইনস্টিটিউটের স্টাফ :

ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। বর্তমানে প্রায় বিশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অন্যান্য স্টাফের সহায়তায় প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত। বাইরে থেকে সম্প্রচার যোগাযোগ, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিবর্গও প্রশিক্ষণে অতিথিবক্তা বা সম্পদ ব্যক্তিরূপে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি :

ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থী এবং সম্পদব্যক্তিদের চাহিদার প্রয়োজনে একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় বইপত্র প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের অধ্যয়নের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। লাইব্রেরির বই এর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

ডরমিটরি :

ইনস্টিটিউটে চারতলাবিশিষ্ট একটি ডরমিটরি রয়েছে। ৩৯টি কক্ষ আছে এর মধ্যে ৭টি কক্ষ শীততপ নিয়ন্ত্রিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ চলাকালীন এখানে অবস্থান করার সুযোগ পান।

ক্যাফেটেরিয়া :

ডরমিটরিতে একটি ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। এখানে সম্পদব্যক্তি, অনুষদবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার ব্যবস্থা রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা :

 আধুনিক ধারণযন্ত্র ও সম্পাদনা সুবিধাসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিভিশন স্টুডিও, দুইটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বেতার স্টুডিও, আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ আটটি শ্রেণীকক্ষ, ইএনজি/ ইএফপি যন্ত্রসামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস এবং ডিজিটাল পরীক্ষণের জন্য কারিগরি গবেষণাগার, লেজার ও ইমেজ মুদ্রণের সুবিধাসহ মাইক্রো-কম্পিউটার, পাঠাগার, ডরমিটরি, ১৬ মি. মি. মুভি ক্যামেরা, ১৬  ও ৩৫ মি. মি. ফিল্ম প্রজেক্টর, ১৬ মি: মি: ফিল্ম সম্পাদনা টেবিল, স্লাইড প্রজেক্টর , ওএইচপি, ফটোকপিয়ার মাল্টিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব, নন লিনিয়ার অডিও, ভিডিও এডিটিং প্যানেল ইত্যাদি।

যোগাযোগ :

মহাপরিচালক

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

১২৫/এ, এ ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস-সালাম, ঢাকা - ১২১৬

পিএবিএক্স - ৯০০৭৪১০-১৪, ফ্যাক্স- ৯০০৫৫৮০

e-mail   : nimc@bangla.net

website : www.nimc.gov.bd

- See more at: http://www.nimc.gov.bd/site/page/a5aa3619-14d1-4773-ba03-20bee0e9c060/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF#sthash.NbsPHWr7.dpuf

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (জাগই - সাবেক জাতীয় সম্প্রচার একাডেমি) ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং আইটিইউ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পরূপে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে কার্যক্রম শুরু করে। এ’ ইনস্টিটিউট (জাগই) তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশে তথ্য সার্ভিস ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একমাত্র সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এ’ ইনস্টিটিউটে বেতার-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিষয়সমূহ,তথ্য সার্ভিসের পেশাগত প্রশিক্ষণ, চলচ্চিত্র, রিপোর্টিং এবং তথ্য ও উন্নয়ন যোগাযোগের ওপর প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারা পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া, বেসরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যাঁরা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত সম্প্রচার ও যোগাযোগ কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানদানের মাধ্যমে সম্প্রচার, চলচ্চিত্র ও গণযোগাযোগ কর্মকান্ডের উন্নতি সাধন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের সময়োপযোগী উন্নয়ন এ ইনস্টিটিউটের মূল দায়িত্ব। উন্নয়ন যোগাযোগকে আরও গতিশীল ও বস্ত্তুনিষ্ঠ করে তোলা এর অন্যতম কর্তব্য। সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিভি ও বেতার চ্যানেলও  ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, এর প্রেক্ষিত ও পরিধির গুণগত ও পরিমাণগত তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্যক্রম :

 ক) অনুষ্ঠান, প্রকৌশল ও সংবাদ কর্মীদের চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার কার্যক্রমের সার্বিক  উন্নয়ন;

খ)  উন্নয়ন সম্প্রচার, উন্নয়ন যোগাযোগ, বেতার ও টেলিভিশনসহ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান;

গ)  ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম এবং চলচ্চিত্র বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং উপাত্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা;

ঘ)  বেতার, টেলিভিশন এবং গণযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরামর্শ, উপদেশ এবং সেবা দান;

ঙ)  উন্নয়নসম্প্রচার ও যোগাযোগের সাথে সম্পৃক্ত আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা;

চ)  ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যৌথভাবে উন্নয়ন-যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত পাঠ্যধারার আয়োজন ও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া;

ছ)  সমধর্মী  কার্যক্রম  পরিচালনায়  অন্যান্য সংস্থার (জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক) সাথে সম্পর্ক এবং সমন্বয় সাধন;

জ)   ভিডিও এবং  অডিও টেপ এবং নির্দেশিকা সামগ্রীসমৃদ্ধ তথ্য ব্যাংক স্থাপন করা;

ঝ) বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং জনসংযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন যোগাযোগ ও উন্নয়ন-সম্প্রচারের  সাথে সংশিস্নষ্ট যে কোন পরামর্শ ও সেবা প্রদান;

ঞ) বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের আদর্শ মান উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন;

ট)  দর্শক-শ্রোতা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং

ঠ) বেসরকারি সংগঠন, ব্যক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান।

কর্মপরিধি :

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বেতার ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিবেশনা, নির্মাণ ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সত্মর- বিশিষ্ট পাঠ্যধারার ব্যবস্থা রয়েছে।  গণযোগাযোগ অধিদফতর, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশিস্নষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এর অন্যতম দায়িত্ব। এই পাঠ্যধারাসমূহ  তিন পর্যায়ের  কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত; যাঁরা-

১.      তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-১)

২.     তত্ত্বাবধান ব্যতীত দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-২)

৩.     নিজেরাই তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করেন (স্তর-৩)

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি :

বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বেতার ও টেলিভিশন প্রকৌশল,টেলিভিশনের জন্য ইএনজি/ইএফপি, উন্নয়ন সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশন মাধ্যম শিক্ষা সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, বেতার ও টেলিভিশন নাটক, বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য পান্ডুলিপি লিখন, বেতার ও টেলিভিশনে জনসংখ্যা যোগাযোগ অনুষ্ঠান, টেলিভিশন শিল্প নির্দেশনা ও গ্রাফিক্স, ক্যামেরা চালনা ও আলোকসম্পাত, ডিজিটাল ফটো সাংবাদিকতা, তথ্য ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা, প্রমিত বাংলা উচ্চারণ ও বানান, মাঠ সম্প্রচার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, গণযোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, চলচ্চিত্র (পান্ডুলিপি, পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও শব্দগ্রহণ), সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা, দশর্ক-শ্রোতা গবেষণা ও অনুষ্ঠান মূল্যায়ন, নন-লিনিয়ার এডিটিং, ভিডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা কৌশল, ডিজিটাল পদ্ধতি, গ্রামীণ মহিলাদের জন্য সম্প্রচার, সংবাদ প্রতিবেদন লিখন, পঠন ও সম্পাদনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ কৌশল, প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন যোগাযোগ, প্রশিক্ষণের ফলাফল যাচাই ও মূল্যায়ন, ইংরেজি ভাষা: কথন, লিখন রীতি ও পেশাগত ব্যবহার ও অপব্যবহার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এর নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম ছাড়াও এআইবিডি, এসকাপ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, আর টি আই, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় অথবা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

গবেষণা কার্যক্রম :

দর্শক-শ্রোতার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রচার যোগাযোগ  সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গবেষণা সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

 ইনস্টিটিউটের স্টাফ :

ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। বর্তমানে প্রায় বিশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অন্যান্য স্টাফের সহায়তায় প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত। বাইরে থেকে সম্প্রচার যোগাযোগ, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিবর্গও প্রশিক্ষণে অতিথিবক্তা বা সম্পদ ব্যক্তিরূপে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি :

ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থী এবং সম্পদব্যক্তিদের চাহিদার প্রয়োজনে একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় বইপত্র প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের অধ্যয়নের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। লাইব্রেরির বই এর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

ডরমিটরি :

ইনস্টিটিউটে চারতলাবিশিষ্ট একটি ডরমিটরি রয়েছে। ৩৯টি কক্ষ আছে এর মধ্যে ৭টি কক্ষ শীততপ নিয়ন্ত্রিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ চলাকালীন এখানে অবস্থান করার সুযোগ পান।

ক্যাফেটেরিয়া :

ডরমিটরিতে একটি ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। এখানে সম্পদব্যক্তি, অনুষদবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার ব্যবস্থা রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা :

 আধুনিক ধারণযন্ত্র ও সম্পাদনা সুবিধাসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিভিশন স্টুডিও, দুইটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বেতার স্টুডিও, আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ আটটি শ্রেণীকক্ষ, ইএনজি/ ইএফপি যন্ত্রসামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস এবং ডিজিটাল পরীক্ষণের জন্য কারিগরি গবেষণাগার, লেজার ও ইমেজ মুদ্রণের সুবিধাসহ মাইক্রো-কম্পিউটার, পাঠাগার, ডরমিটরি, ১৬ মি. মি. মুভি ক্যামেরা, ১৬  ও ৩৫ মি. মি. ফিল্ম প্রজেক্টর, ১৬ মি: মি: ফিল্ম সম্পাদনা টেবিল, স্লাইড প্রজেক্টর , ওএইচপি, ফটোকপিয়ার মাল্টিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব, নন লিনিয়ার অডিও, ভিডিও এডিটিং প্যানেল ইত্যাদি।

যোগাযোগ :

মহাপরিচালক

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

১২৫/এ, এ ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস-সালাম, ঢাকা - ১২১৬

পিএবিএক্স - ৯০০৭৪১০-১৪, ফ্যাক্স- ৯০০৫৫৮০

e-mail   : nimc@bangla.net

website : www.nimc.gov.bd

- See more at: http://www.nimc.gov.bd/site/page/a5aa3619-14d1-4773-ba03-20bee0e9c060/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF#sthash.NbsPHWr7.dpuf

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (জাগই - সাবেক জাতীয় সম্প্রচার একাডেমি) ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং আইটিইউ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পরূপে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে কার্যক্রম শুরু করে। এ’ ইনস্টিটিউট (জাগই) তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশে তথ্য সার্ভিস ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একমাত্র সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এ’ ইনস্টিটিউটে বেতার-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিষয়সমূহ,তথ্য সার্ভিসের পেশাগত প্রশিক্ষণ, চলচ্চিত্র, রিপোর্টিং এবং তথ্য ও উন্নয়ন যোগাযোগের ওপর প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারা পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া, বেসরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যাঁরা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত সম্প্রচার ও যোগাযোগ কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানদানের মাধ্যমে সম্প্রচার, চলচ্চিত্র ও গণযোগাযোগ কর্মকান্ডের উন্নতি সাধন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের সময়োপযোগী উন্নয়ন এ ইনস্টিটিউটের মূল দায়িত্ব। উন্নয়ন যোগাযোগকে আরও গতিশীল ও বস্ত্তুনিষ্ঠ করে তোলা এর অন্যতম কর্তব্য। সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিভি ও বেতার চ্যানেলও  ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, এর প্রেক্ষিত ও পরিধির গুণগত ও পরিমাণগত তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্যক্রম :

 ক) অনুষ্ঠান, প্রকৌশল ও সংবাদ কর্মীদের চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার কার্যক্রমের সার্বিক  উন্নয়ন;

খ)  উন্নয়ন সম্প্রচার, উন্নয়ন যোগাযোগ, বেতার ও টেলিভিশনসহ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান;

গ)  ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম এবং চলচ্চিত্র বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং উপাত্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা;

ঘ)  বেতার, টেলিভিশন এবং গণযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরামর্শ, উপদেশ এবং সেবা দান;

ঙ)  উন্নয়নসম্প্রচার ও যোগাযোগের সাথে সম্পৃক্ত আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা;

চ)  ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যৌথভাবে উন্নয়ন-যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত পাঠ্যধারার আয়োজন ও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া;

ছ)  সমধর্মী  কার্যক্রম  পরিচালনায়  অন্যান্য সংস্থার (জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক) সাথে সম্পর্ক এবং সমন্বয় সাধন;

জ)   ভিডিও এবং  অডিও টেপ এবং নির্দেশিকা সামগ্রীসমৃদ্ধ তথ্য ব্যাংক স্থাপন করা;

ঝ) বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং জনসংযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন যোগাযোগ ও উন্নয়ন-সম্প্রচারের  সাথে সংশিস্নষ্ট যে কোন পরামর্শ ও সেবা প্রদান;

ঞ) বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের আদর্শ মান উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন;

ট)  দর্শক-শ্রোতা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং

ঠ) বেসরকারি সংগঠন, ব্যক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান।

কর্মপরিধি :

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বেতার ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিবেশনা, নির্মাণ ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সত্মর- বিশিষ্ট পাঠ্যধারার ব্যবস্থা রয়েছে।  গণযোগাযোগ অধিদফতর, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশিস্নষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এর অন্যতম দায়িত্ব। এই পাঠ্যধারাসমূহ  তিন পর্যায়ের  কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত; যাঁরা-

১.      তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-১)

২.     তত্ত্বাবধান ব্যতীত দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-২)

৩.     নিজেরাই তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করেন (স্তর-৩)

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি :

বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বেতার ও টেলিভিশন প্রকৌশল,টেলিভিশনের জন্য ইএনজি/ইএফপি, উন্নয়ন সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশন মাধ্যম শিক্ষা সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, বেতার ও টেলিভিশন নাটক, বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য পান্ডুলিপি লিখন, বেতার ও টেলিভিশনে জনসংখ্যা যোগাযোগ অনুষ্ঠান, টেলিভিশন শিল্প নির্দেশনা ও গ্রাফিক্স, ক্যামেরা চালনা ও আলোকসম্পাত, ডিজিটাল ফটো সাংবাদিকতা, তথ্য ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা, প্রমিত বাংলা উচ্চারণ ও বানান, মাঠ সম্প্রচার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, গণযোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, চলচ্চিত্র (পান্ডুলিপি, পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও শব্দগ্রহণ), সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা, দশর্ক-শ্রোতা গবেষণা ও অনুষ্ঠান মূল্যায়ন, নন-লিনিয়ার এডিটিং, ভিডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা কৌশল, ডিজিটাল পদ্ধতি, গ্রামীণ মহিলাদের জন্য সম্প্রচার, সংবাদ প্রতিবেদন লিখন, পঠন ও সম্পাদনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ কৌশল, প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন যোগাযোগ, প্রশিক্ষণের ফলাফল যাচাই ও মূল্যায়ন, ইংরেজি ভাষা: কথন, লিখন রীতি ও পেশাগত ব্যবহার ও অপব্যবহার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এর নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম ছাড়াও এআইবিডি, এসকাপ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, আর টি আই, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় অথবা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

গবেষণা কার্যক্রম :

দর্শক-শ্রোতার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রচার যোগাযোগ  সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গবেষণা সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

 ইনস্টিটিউটের স্টাফ :

ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। বর্তমানে প্রায় বিশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অন্যান্য স্টাফের সহায়তায় প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত। বাইরে থেকে সম্প্রচার যোগাযোগ, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিবর্গও প্রশিক্ষণে অতিথিবক্তা বা সম্পদ ব্যক্তিরূপে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি :

ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থী এবং সম্পদব্যক্তিদের চাহিদার প্রয়োজনে একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় বইপত্র প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের অধ্যয়নের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। লাইব্রেরির বই এর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

ডরমিটরি :

ইনস্টিটিউটে চারতলাবিশিষ্ট একটি ডরমিটরি রয়েছে। ৩৯টি কক্ষ আছে এর মধ্যে ৭টি কক্ষ শীততপ নিয়ন্ত্রিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ চলাকালীন এখানে অবস্থান করার সুযোগ পান।

ক্যাফেটেরিয়া :

ডরমিটরিতে একটি ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। এখানে সম্পদব্যক্তি, অনুষদবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার ব্যবস্থা রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা :

 আধুনিক ধারণযন্ত্র ও সম্পাদনা সুবিধাসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিভিশন স্টুডিও, দুইটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বেতার স্টুডিও, আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ আটটি শ্রেণীকক্ষ, ইএনজি/ ইএফপি যন্ত্রসামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস এবং ডিজিটাল পরীক্ষণের জন্য কারিগরি গবেষণাগার, লেজার ও ইমেজ মুদ্রণের সুবিধাসহ মাইক্রো-কম্পিউটার, পাঠাগার, ডরমিটরি, ১৬ মি. মি. মুভি ক্যামেরা, ১৬  ও ৩৫ মি. মি. ফিল্ম প্রজেক্টর, ১৬ মি: মি: ফিল্ম সম্পাদনা টেবিল, স্লাইড প্রজেক্টর , ওএইচপি, ফটোকপিয়ার মাল্টিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব, নন লিনিয়ার অডিও, ভিডিও এডিটিং প্যানেল ইত্যাদি।

যোগাযোগ :

মহাপরিচালক

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

১২৫/এ, এ ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস-সালাম, ঢাকা - ১২১৬

পিএবিএক্স - ৯০০৭৪১০-১৪, ফ্যাক্স- ৯০০৫৫৮০

e-mail   : nimc@bangla.net

website : www.nimc.gov.bd

- See more at: http://www.nimc.gov.bd/site/page/a5aa3619-14d1-4773-ba03-20bee0e9c060/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF#sthash.NbsPHWr7.dpuf

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট (জাগই - সাবেক জাতীয় সম্প্রচার একাডেমি) ইউএনডিপি, ইউনেস্কো এবং আইটিইউ-এর সহযোগিতায় বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রকল্পরূপে ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে কার্যক্রম শুরু করে। এ’ ইনস্টিটিউট (জাগই) তথ্য মন্ত্রণালয়ের একটি অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশে তথ্য সার্ভিস ও ইলেক্ট্রনিক গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একমাত্র সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। এ’ ইনস্টিটিউটে বেতার-টেলিভিশনের অনুষ্ঠান ও প্রকৌশল বিষয়সমূহ,তথ্য সার্ভিসের পেশাগত প্রশিক্ষণ, চলচ্চিত্র, রিপোর্টিং এবং তথ্য ও উন্নয়ন যোগাযোগের ওপর প্রশিক্ষণ পাঠ্যধারা পরিচালনার ব্যবস্থা রয়েছে।

এছাড়া, বেসরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি যাঁরা ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম ও গণমাধ্যমের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা এখানে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষণ লাভ করতে পারেন। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, তথ্য অধিদফতর এবং গণযোগাযোগ অধিদপ্তরে কর্মরত সম্প্রচার ও যোগাযোগ কর্মীদের দক্ষতা ও কারিগরি জ্ঞানদানের মাধ্যমে সম্প্রচার, চলচ্চিত্র ও গণযোগাযোগ কর্মকান্ডের উন্নতি সাধন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণ ও গবেষণার মাধ্যমে বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের সময়োপযোগী উন্নয়ন এ ইনস্টিটিউটের মূল দায়িত্ব। উন্নয়ন যোগাযোগকে আরও গতিশীল ও বস্ত্তুনিষ্ঠ করে তোলা এর অন্যতম কর্তব্য। সম্প্রতি বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান টিভি ও বেতার চ্যানেলও  ইনস্টিটিউটের কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ফলে, এর প্রেক্ষিত ও পরিধির গুণগত ও পরিমাণগত তাৎপর্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

কার্যক্রম :

 ক) অনুষ্ঠান, প্রকৌশল ও সংবাদ কর্মীদের চাকুরিকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, তথ্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতার সম্প্রচার কার্যক্রমের সার্বিক  উন্নয়ন;

খ)  উন্নয়ন সম্প্রচার, উন্নয়ন যোগাযোগ, বেতার ও টেলিভিশনসহ চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন এবং প্রশিক্ষণ প্রদান;

গ)  ইলেক্ট্রনিক মাধ্যম এবং চলচ্চিত্র বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং উপাত্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা;

ঘ)  বেতার, টেলিভিশন এবং গণযোগাযোগের ক্ষেত্রে পরামর্শ, উপদেশ এবং সেবা দান;

ঙ)  উন্নয়নসম্প্রচার ও যোগাযোগের সাথে সম্পৃক্ত আলোচনা সভা, কর্মশালা এবং উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রমের আয়োজন করা;

চ)  ইউনিসেফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহের সাথে যৌথভাবে উন্নয়ন-যোগাযোগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত পাঠ্যধারার আয়োজন ও অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা নেয়া;

ছ)  সমধর্মী  কার্যক্রম  পরিচালনায়  অন্যান্য সংস্থার (জাতীয় ও আমত্মর্জাতিক) সাথে সম্পর্ক এবং সমন্বয় সাধন;

জ)   ভিডিও এবং  অডিও টেপ এবং নির্দেশিকা সামগ্রীসমৃদ্ধ তথ্য ব্যাংক স্থাপন করা;

ঝ) বাংলাদেশ বেতার ও বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং জনসংযোগের মাধ্যমে উন্নয়ন যোগাযোগ ও উন্নয়ন-সম্প্রচারের  সাথে সংশিস্নষ্ট যে কোন পরামর্শ ও সেবা প্রদান;

ঞ) বাংলাদেশে ইলেক্ট্রনিক ও চলচ্চিত্র মাধ্যমের আদর্শ মান উন্নয়নের সহায়ক অন্যান্য দায়িত্ব পালন;

ট)  দর্শক-শ্রোতা গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা; এবং

ঠ) বেসরকারি সংগঠন, ব্যক্তি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রনিক মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা প্রদান।

কর্মপরিধি :

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটে বেতার ও টেলিভিশনের অনুষ্ঠান পরিকল্পনা, পরিবেশনা, নির্মাণ ও প্রকৌশল ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন সত্মর- বিশিষ্ট পাঠ্যধারার ব্যবস্থা রয়েছে।  গণযোগাযোগ অধিদফতর, তথ্য অধিদপ্তর, চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশিস্নষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান এর অন্যতম দায়িত্ব। এই পাঠ্যধারাসমূহ  তিন পর্যায়ের  কর্মীদের প্রশিক্ষণ চাহিদা অনুযায়ী বিন্যস্ত; যাঁরা-

১.      তত্ত্বাবধায়কের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-১)

২.     তত্ত্বাবধান ব্যতীত দায়িত্ব পালন করেন (স্তর-২)

৩.     নিজেরাই তত্ত্বাবধান ও ব্যবস্থাপনা পর্যায়ে কাজ করেন (স্তর-৩)

প্রশিক্ষণ কর্মসূচি :

বেতার ও টেলিভিশন অনুষ্ঠান, বেতার ও টেলিভিশন প্রকৌশল,টেলিভিশনের জন্য ইএনজি/ইএফপি, উন্নয়ন সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশন মাধ্যম শিক্ষা সম্প্রচার, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা, বেতার ও টেলিভিশন নাটক, বেতার ও টেলিভিশনের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান ও প্রামাণ্যচিত্র, বেতার ও টেলিভিশনের জন্য পান্ডুলিপি লিখন, বেতার ও টেলিভিশনে জনসংখ্যা যোগাযোগ অনুষ্ঠান, টেলিভিশন শিল্প নির্দেশনা ও গ্রাফিক্স, ক্যামেরা চালনা ও আলোকসম্পাত, ডিজিটাল ফটো সাংবাদিকতা, তথ্য ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা, প্রমিত বাংলা উচ্চারণ ও বানান, মাঠ সম্প্রচার, মিডিয়া ব্যবস্থাপনা, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, গণযোগাযোগ ও আন্তঃব্যক্তিক যোগাযোগ, প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, চলচ্চিত্র (পান্ডুলিপি, পরিচালনা, চিত্রগ্রহণ ও শব্দগ্রহণ), সম্প্রচার ব্যবস্থাপনা, দশর্ক-শ্রোতা গবেষণা ও অনুষ্ঠান মূল্যায়ন, নন-লিনিয়ার এডিটিং, ভিডিও অনুষ্ঠান প্রযোজনা কৌশল, ডিজিটাল পদ্ধতি, গ্রামীণ মহিলাদের জন্য সম্প্রচার, সংবাদ প্রতিবেদন লিখন, পঠন ও সম্পাদনা, সাক্ষাৎকার গ্রহণ কৌশল, প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ, মহিলা ও শিশু উন্নয়ন যোগাযোগ, প্রশিক্ষণের ফলাফল যাচাই ও মূল্যায়ন, ইংরেজি ভাষা: কথন, লিখন রীতি ও পেশাগত ব্যবহার ও অপব্যবহার।

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট-এর নিজস্ব প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম ছাড়াও এআইবিডি, এসকাপ, ইউনেস্কো, ইউনিসেফ, আর টি আই, বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় অথবা যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে।

গবেষণা কার্যক্রম :

দর্শক-শ্রোতার মতামতের ভিত্তিতে সম্প্রচার যোগাযোগ  সংক্রান্ত  প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে এ পর্যন্ত গবেষণা সমীক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা এবং প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।

 ইনস্টিটিউটের স্টাফ :

ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক। বর্তমানে প্রায় বিশজন অভিজ্ঞ এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত প্রশিক্ষক অন্যান্য স্টাফের সহায়তায় প্রশিক্ষণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনায় নিয়োজিত। বাইরে থেকে সম্প্রচার যোগাযোগ, চলচ্চিত্র ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিবর্গও প্রশিক্ষণে অতিথিবক্তা বা সম্পদ ব্যক্তিরূপে অংশগ্রহণ করে থাকেন।

ইনস্টিটিউটের লাইব্রেরি :

ইনস্টিটিউটে প্রশিক্ষণার্থী এবং সম্পদব্যক্তিদের চাহিদার প্রয়োজনে একটি লাইব্রেরি গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনীয় বইপত্র প্রশিক্ষণার্থীরা তাঁদের অধ্যয়নের জন্য ব্যবহার করে থাকেন। লাইব্রেরির বই এর সংখ্যা প্রায় তিন হাজার।

ডরমিটরি :

ইনস্টিটিউটে চারতলাবিশিষ্ট একটি ডরমিটরি রয়েছে। ৩৯টি কক্ষ আছে এর মধ্যে ৭টি কক্ষ শীততপ নিয়ন্ত্রিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ চলাকালীন এখানে অবস্থান করার সুযোগ পান।

ক্যাফেটেরিয়া :

ডরমিটরিতে একটি ক্যাফেটরিয়া রয়েছে। এখানে সম্পদব্যক্তি, অনুষদবর্গ এবং প্রশিক্ষণার্থীদের জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় সাশ্রয়ীমূল্যে খাবার ব্যবস্থা রয়েছে।

সুযোগ-সুবিধা :

 আধুনিক ধারণযন্ত্র ও সম্পাদনা সুবিধাসহ একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ টেলিভিশন স্টুডিও, দুইটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বেতার স্টুডিও, আধুনিক অডিও-ভিজ্যুয়াল সুবিধাসহ আটটি শ্রেণীকক্ষ, ইএনজি/ ইএফপি যন্ত্রসামগ্রী, ইলেক্ট্রনিকস এবং ডিজিটাল পরীক্ষণের জন্য কারিগরি গবেষণাগার, লেজার ও ইমেজ মুদ্রণের সুবিধাসহ মাইক্রো-কম্পিউটার, পাঠাগার, ডরমিটরি, ১৬ মি. মি. মুভি ক্যামেরা, ১৬  ও ৩৫ মি. মি. ফিল্ম প্রজেক্টর, ১৬ মি: মি: ফিল্ম সম্পাদনা টেবিল, স্লাইড প্রজেক্টর , ওএইচপি, ফটোকপিয়ার মাল্টিডিয়া প্রজেক্টর, কম্পিউটার ল্যাব, নন লিনিয়ার অডিও, ভিডিও এডিটিং প্যানেল ইত্যাদি।

যোগাযোগ :

মহাপরিচালক

জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউট

১২৫/এ, এ ডব্লিউ চৌধুরী রোড, দারুস-সালাম, ঢাকা - ১২১৬

পিএবিএক্স - ৯০০৭৪১০-১৪, ফ্যাক্স- ৯০০৫৫৮০

e-mail   : nimc@bangla.net

website : www.nimc.gov.bd

- See more at: http://www.nimc.gov.bd/site/page/a5aa3619-14d1-4773-ba03-20bee0e9c060/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%97%E0%A6%A3%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AE-%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%89%E0%A6%9F-%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BF#sthash.NbsPHWr7.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

একটি ভারসাম্যপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যম ও গণমাধ্যম কর্মীগণের অবদান সমাজের প্রথম শ্রেণিতেই। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিকতা দুটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। উপরন্তু পরস্পর পরস্পরের পরিপূরক। পৃথিবী তে সাংবাদিকতার মতো এমন মহৎ পেশা খুব কমই পাওয়া যাবে। এ পেশাটিতে পরিপূর্ণ ভাবে বিচরণ করতে হলে যেমন বুকে সৎ সাহস প্রয়োজন তেমনি নৈতিকভাবেও স্বচ্ছতা দরকার। জ্ঞান-মেধা-প্রতিভার সম্মিলনে পূর্ণতা লাভ করে সাংবাদিকতা। একজন প্রকৃত সাংবাদিকের ক্ষুরধার লেখনীতে ভাগ্য বদলে যায় অনেক অবহেলিত-নির্যাতিত-বঞ্চিত সমাজের চিত্র।

সাংবাদিকতার অন্তর্নিহিত উদ্দেশ্য অতীতে কখনো পয়সা কামানোর হাতিয়ার ছিলো কি না জানা নেই কিন্তু বর্তমানে এই ৫৬ হাজার বর্গমাইল ব্যাপী ভূখণ্ডে যে কত হাজার মাখলুক এই পেশাটিকে পয়সা কামানোর হাতিয়ার হিসেবে বেছে নিয়েছে তার সঠিক পরিসংখ্যান কোন মানুষ দিতে পারবে বলে প্রতীয়মান নয় । শৈশব থেকে জেনে এসেছি ‘অসি অপেক্ষা মসি অধিকতর শক্তিমান’; সে হিসেবে এই মসি কারা কিভাবে কোন কোন যোগ্যতাবলে ব্যবহার করছে তার হিসেব যদি পরিষ্কার না হয় তবে এই মসি দিয়ে পয়সা প্রেমীরা যে কি করতে পারে তা একজন সচেতন মানুষ হিসেবে চিন্তা করলে অনুভূতি কোন অংশে সুখকর তো হবেই না বরং হৃদস্পন্দন বেড়ে ওপারের লাইন ধরার অবস্থাও হতে পারে।

মফস্বল থেকে শুরু করে রাজধানী পর্যন্ত অঢেল সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের জটলা ! প্রকৃতপক্ষে সাংবাদিকতা করতে হলে যোগ্যতা নিরূপণের মাপকাঠিই বা কি এর উত্তর চাওয়ার ও পাওয়ার কোন সুযোগ আপাতত আমাদের দেশে নেই। স্থানীয় পর্যায়ে লক্ষ্য করলে সংবাদকর্মী হিসেবে আপনার আশেপাশে এমন কাউকে যদি পেয়ে যান, যিনি কি না প্রতিদিন ভোরে একটি পরিচয় পত্র ও ধ্বজভঙ্গ ক্যামেরা নিয়ে বের হন আর ঘরে ফিরেন মুঠোয় মুঠোয় অর্থ ভর্তি পকেটে তবে আশ্চর্য হবার কিছুই নেই । প্রকৃত সাংবাদিকতা করতে অনেক প্রকার যোগ্যতা লাগে, নৈতিকতা লাগে কিন্তু সাংবাদিকতার নামে সমাজে বসবাসকারী মর্যাদাসম্পন্ন নাগরিকদের চরিত্র হননের জন্য প্রতিদিন মেধা কে কুপথে খাটাতে অতিরিক্ত কোন যোগ্যতাই লাগে না। উপরন্তু একে পুঁজি করে প্রচলিত যত প্রকারের অপরাধ আছে তার সব প্রকারেই অবাধে বিচরণ করা যায় এবং সাথে হাদিয়া/দক্ষিনা তো থাকেই।

আর এভাবেই উত্থান তথ্য সন্ত্রাস ও সন্ত্রাসীদের। এদের একেক জনের রয়েছে একেক রকম কলুষিত ইতিহাস যা কোনদিনই তাঁদের বিবেক কে নাড়া দেয় না। সত্য সংবাদ ও ঘটনার পাশাপাশি কেউ কেউ অনেক বানোয়াট, অসত্য ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দেশের স্বার্থ বিরোধী প্রচার ও প্রকাশ করে যাচ্ছে কোন নিয়ম নীতির, নৈতিকতার তোয়াক্কা না করেই। এ ধরণের সাংবাদিকতা কে এক বাক্যে বলে হলুদ সাংবাদিকতা বা Yellow Journalism. সাংবাদিকতার অন্তরালে এসব তথ্য সন্ত্রাসের জন্মদাতারা ক্রমেই বিষিয়ে তুলছে সমাজ ও সমাজে বসবাসকারি মানুষজনদের প্রাত্যাহিক জীবন কে। অনেক ভুক্তভোগীই আছেন যারা পরবর্তী অধ্যায়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিবাদের পথে না গিয়ে এদের হাতে গুঁজে দেন নগদ কিছু অর্থ যা কি না এদের প্রত্যাশা কে বাড়িয়ে দেয় বহুগুণ। এর ভুক্তভোগী হয়ে অনেকে আবার আত্নহননের পথও বেছে নেন কখনো বা, তাই এদের কে আমি অপসাংবাদিক কিংবা হলুদ সাংবাদিক বলতে একেবারেই নারাজ। এক বাক্য এরা তথ্য সন্ত্রাসী যাঁদের হাতে নিরাপদ নয় এই দেশ,সমাজ,ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা আগত ভবিষ্যৎ।

তবে কোনভাবেই অস্বীকার করার জায়গা নেই যে, আমাদের দেশের অনেক গুণী, প্রথিতযশা সুশীল সাংবাদিক আছেন। তাঁরা শ্রদ্ধা ও ভক্তির পাত্র। তাঁদের লেখনীতে ঢেউ উঠতো সমাজের বৃহৎ স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাপারে আর এই তথ্য সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে নিষ্পেষিত হচ্ছে সমাজের অসংখ্য মানুষ। স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশিত সকল সংবাদপত্র সমূহ মাননীয় জেলা প্রশাসকের দপ্তরের অধিভুক্ত, তাই তাকেই চিহ্নিত করতে হবে তার দপ্তর থেকে সংবাদ প্রকাশের অনুমোদন নিয়ে কে প্রকৃত সাংবাদিকতা করছে আর কে বা কারা মূর্তিমান তথ্য সন্ত্রাসী হয়ে অবাধে অপরাধ জগতে বিচরণ করে বেড়াচ্ছে এবং প্রকাশ্যে সমাজের সর্বনাশ করে বেড়াচ্ছে। এই তথ্য সন্ত্রাসের আগ্রাসন ঠেকানো না গেলে এর খেসারত সমাজ কি দিয়ে দিবে তা হয়তো কল্পনাতীত সকলের কাছে।

- See more at: http://blog.bdnews24.com/Nirjhor71/184502#sthash.bZAjYwX0.dpuf

পাঠকের মন্তব্য (০)

লগইন করুন


এ সম্পর্কিত খবর

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

বদরুলের দ্রুত শাস্তির দাবিতে সিলেটজুড়ে বিক্ষোভ

কলেজছাত্রী খাদিজার ওপর হামলাকারী ছাত্রলীগ নেতা বদরুলের দ্রুত ও সর্বোচ্চ শাস্তি চায় সিলেটবাসী। এই

'স্বল্প সময়ের মধ্যেই জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে'

'স্বল্প সময়ের মধ্যেই জঙ্গিবাদ নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে'

বাংলাদেশের মানুষ ধর্মভীরু হলেও ধর্মান্ধ নয়। এ দেশের মানুষ কখনোই জঙ্গিবাদকে সমর্থন দেয়নি। দেশের মানুষের

খাদিজার হামলাকারি বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে

খাদিজার হামলাকারি বদরুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে

সলেট প্রতিনিধি: আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন সিলেটে কলেজছাত্রী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে হত্যাচেষ্টাকারী বদরুল আলম


খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম। অস্ত্রোপচার শেষে গতকাল বিকেলে তাঁকে ৭২ ঘণ্টার নিবিড়

টাঙ্গাইলে নদীতে গ্যাস লাইনে ফাটল

টাঙ্গাইলে নদীতে গ্যাস লাইনে ফাটল

টাঙ্গাইলে নদীর নিচে গ্যাসের পাইপ লাইন ফেটে গ্যাস বের হতে শুরু করেছে। এই ঘটনায় এলাকায়

খাদিজার জীবন–সংকটে

খাদিজার জীবন–সংকটে

রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম। অস্ত্রোপচার শেষে গতকাল বিকেলে তাঁকে ৭২ ঘণ্টার নিবিড়


বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নতুন বেড়া নির্মাণ করা হবে’

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নতুন বেড়া নির্মাণ করা হবে’

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নতুন বেড়া নির্মাণ করা হবে। এর মাধ্যমে দুই দেশের সীমান্তে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার

রাঙামাটিতে ভবন ধসে নিহত ৩

রাঙামাটিতে ভবন ধসে নিহত ৩

রাঙামাটি প্রতিনিধি | রাঙামাটি শহরের সরকারি মহিলা কলেজ সড়কে এই দ্বিতল ভবন কাপ্তাই হ্রদে ধসে পড়ে

আবারো জঙ্গি হামলার হুমকি

নিশ্চিহ্ন হয়েও কল্পিত অবস্থান জাহির করার ফন্দি

নিশ্চিহ্ন হয়েও কল্পিত অবস্থান জাহির করার ফন্দি

জঙ্গিরা নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছে। কল্যানপুর রুপনগর নারায়নগঞ্জ আজিমপুরসহ একের পর পুলিশের ড্রাস্টিক আ্যাকশনে জঙ্গি নেটওয়ার্ক



আরো সংবাদ













ব্রেকিং নিউজ












খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

খাদিজার জীবন নিয়ে এখনো আশঙ্কা

০৫ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:৫৪